অন্য দিকে বিরোধীদের দাবী উড়িয়ে পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের মেয়র পারিষদ সদস্য দুলাল দত্ত বলেন, যতটা ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে বলা হচ্ছে, পরিস্থিতি তা নয়। শিলিগুড়ি একেই ডেঙ্গিপ্রবণ এলাকা। চলতি বছরে এখনও পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ২৫৭ জন। গত দু'দিনে সংখ্যাটা ৫০। তবে সব ওয়ার্ডে নয়। পুরসভার ৪ এবং ৫ নং ওয়ার্ডে সংক্রমণের সংখ্যা বেশী। বিজেপির দখলে থাকা ২ ওয়ার্ডের কাউন্সিলরদের দুরদর্শিতার অভাবেই সংখ্যাটা বাড়ছে। ওই দুই ওয়ার্ডে বাড়ি বাড়ি জমা জল। সঙ্গে খাটাল। তার থেকেই ডেঙ্গি মশার বংশবৃদ্ধি হচ্ছে। দুই ওয়ার্ডের বাসিন্দাদেরও আরও সচেতন হতে হবে। পুরসভা ডেঙ্গি নিয়ন্ত্রণে সব কাজই করছে। ফগিং, স্প্রেয়িং করা হচ্ছে নিয়মিত। একটি সার্ভে টিম প্রতিটি বাড়ি বাড়ি যাচ্ছে। সাধারণ মানুষকেও সচেতন হতে হবে।
advertisement
আরও পড়ুন: 'আমার বিধানসভা এলাকা বলেই আমার পরিচিত?' টাকা উদ্ধার কাণ্ডে পাল্টা প্রশ্ন ফিরহাদের
আরও পড়ুন: ৫০ হাজার পড়ুয়াকে স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড নভেম্বরেই! ব্যাঙ্কগুলিকে 'টার্গেট' বেঁধে দিল নবান্ন
শাসক - বিরোধীদের তরজার মাঝেই ডেঙ্গি মশা শহরজুড়ে জাল ছড়াচ্ছে দ্রুত। দুশ্চিন্তায় রয়েছেন সাধারণ মানুষ। বাড়ছে উদ্বেগ। সম্প্রতি পুরসভার ৫ বরোর হাতেই গাপ্পি মাছ তুলে দেন মেয়র। মূলত মশার লার্ভা নিয়ন্ত্রণে গাপ্পি মাছ ছাড়া হয় সব ওয়ার্ডেই। তবুও দাপট কমেনি ডেঙ্গির। উলটে বিস্তার বাড়াচ্ছে শহরজুড়ে। উৎসবের মরশুমে স্বাভাবিকভাবেই উৎকণ্ঠায় শহর। স্থানীয় বাসিন্দাদেরো অভিযোগ, নিয়মিত নর্দমা সাফাই বা জঞ্জাল অপসারণে খামতি রয়েছে পুরসভার।
