নাচ করেই মন থেকে আনন্দ পান অমৃত রায়। রোবোটিক্স থেকে শুরু করে কনটেম্পোরারি সব ধরণের নাচ রাস্তাতেই দেখান অমৃত।তার কথাতে রাস্তাতে নাচ দেখাতে পারার মধ্যে আলাদা এক আনন্দ রয়েছে। যারা পথচারী তারা কিছুটা সময় দাঁড়িয়ে তার নাচ দেখেন।তার প্রশংসা করেন আবার কেউ কেউ তাকে তার নাচ আরও ভাল কী করে সম্ভব হবে তার পরামর্শ দেন।ভাল, মন্দ সব অভিজ্ঞতা নিয়ে অমৃত নেচে যান।অমৃত অবস্থাপন্ন ঘরের ছেলে একদম নন। দিন আনতে পান্তা ফুরোনোর জোগাড় তাঁদের পরিবারে।
advertisement
এখন দেখছেন স্থল? আগে এই ৫ স্থানই ছিল অথৈ সমুদ্রের তলায়! জানেন কোনগুলো?
নাচ ছোট থেকে কারও কাছে শেখেননি তিনি।টিভি দেখে আর কিছুটা মন থেকে যে স্টেপ আসে তা দিয়েই নাচ তোলেন তিনি। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে অমৃতের রোবোটিক্স ড্যান্স দেখলে মুগ্ধ হতে হয়। শহরের ব্যস্ততম রাস্তাগুলি নাচ দেখানোর জন্য বেছে নেন অমৃত।হাতে ব্লু টুথ স্পিকার নিয়ে অমৃতকে শহরে ঘুরে বেড়াতে দেখলে আলিপুরদুয়ারবাসী তৈরি হয়ে যায় নাচ দেখার জন্য। অমৃত রায় জানান, “আমি নাচ করি মানুষকে মনোরঞ্জন দেওয়ার জন্য। পাশাপাশি যা অর্থ উপার্জন করি তা না খেতে পাওয়া মানুষদের দিয়ে দেই।তারা খুশি থাকেন।”
সপ্তাহে কোনও সময় তিনদিন আবার কোনও সময় দুদিন নাচ দেখাতে দেখা যায় এই স্ট্রিট ডান্সারকে। অমৃতের এই নাচ দেখে তার সোশ্যাল মিডিয়াতেও হয়েছে প্রচুর ফলোয়ার।তাকে রাস্তায় নাচতে দেখলে মোবাইল ক্যামেরা অন করেন অনেকেই।