আতঙ্কিত ওই পরিবারের সদস্য সমীর পাল জানান, “বিগত চার থেকে পাঁচদিন ধরে বাড়ির দোতলার চিলেকোঠা ঘর থেকে আসত রকমারি শব্দ। ভয়ে আতঙ্কিত হয়েছিলেন বাড়ির মানুষেরা। তবে এদিন দোতলার সিঁড়ি বেয়ে নেমে আসে একটি গন্ধগোকুল বা ভাম (Asian Palm Civet)। মুহূর্তে বাড়ির সদস্যরা খবর পাঠান বন্যপ্রাণ উদ্ধারকারীদের কাছে। এরপর বন্যপ্রাণ উদ্ধারকারীদের একটি দল এসে প্রাণীটিকে উদ্ধার করে। তারপর প্রাণীটিকে বাড়ি থেকে নিয়ে যাওয়া হয়।”
advertisement
“আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন”
বন্যপ্রাণ উদ্ধারকারী অর্ধেন্দু বণিক জানান, “এদিন এক বাড়ি থেকে এক বন্যপ্রাণ উদ্ধারের খবর আসে। বাড়িতে গিয়ে দেখতে পাওয়া যায় একটি গন্ধগোকুল বা ভাম (Asian Palm Civet) অসুস্থ অবস্থায় রয়েছে। দ্রুত সেই প্রাণীটিকে উদ্ধার করে বন দফতরের কাছে পাঠানো হয়। বর্তমানে প্রাণীটির চিকিৎসা চলছে।” বন দফতর সূত্রে জানতে পারা গিয়েছে, “প্রাণীটির সুস্থতার পর প্রাণীটিকে আবারও ছেড়ে দেওয়া হবে নিকটবর্তী কোনও জঙ্গল এলাকায়।”
অন্ধবিশ্বাস ও কুসংস্কারের জেরে যেভাবে বন্যপ্রাণের প্রতি ভয় জন্মাচ্ছে সাধারণ মানুষের। সেই বিষয়টি নিয়ে আরও অনেকটাই সচেতনতার প্রয়োজন রয়েছে বলে জানাচ্ছেন বন্যদফতর। এই বিষয়গুলি নিয়ে ইতিমধ্যেই কোচবিহারের একাধিক বন্যপ্রাণ উদ্ধারকারী নিরলস প্রচেষ্টা করে চলেছেন প্রতিনিয়ত।
Sarthak Pandit






