TRENDING:

West Bengal News: বিধানসভায় শিয়াল-কাণ্ড নিয়ে অভিযোগ, আতঙ্কে ঘরবন্দি হরিশ্চন্দ্রপুর

Last Updated:

West Bengal News: শিয়ালের আক্রমণ নিয়ে অভিযোগ জানালেন হরিশ্চন্দ্রপুরের বিধায়ক তাজমুল হোসেন। বিধানসভায় এদিন এ বিষয়ে অভিযোগ করেন তিনি।

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
#কলকাতা: ভোরবেলায় শিয়ালের পালের হামলায় আহত হয়েছেন অন্তত ৪৮ জন গ্রামবাসী। বৃহস্পতিবার মারাত্মক ঘটনাটি ঘটেছে হরিশ্চন্দ্রপুর ২ নম্বর ব্লকের হরদমনগর গ্রামে (West Bengal News)। আহতরা বর্তমানে হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এই ঘটনার পর গ্রামবাসীদের রোষে প্রাণ হারিয়েছে তিনটি শিয়ালও। আর এই ঘটনা নিয়েই এবার অভিযোগ জানালেন হরিশ্চন্দ্রপুরের বিধায়ক তাজমুল হোসেন। বিধানসভায় এদিন এ বিষয়ে অভিযোগ করেন তিনি।
মারাত্মক ঘটনা
মারাত্মক ঘটনা
advertisement

তাজমুল জানান, তাঁর এলাকার দৌলতনগর পঞ্চায়েতের হরদমনগর গ্রামে বৃহস্পতিবার বেশকিছু শেয়াল এসে সাধারণ মানুষের উপর আক্রমন শুরু করে। শেয়ালের আক্রমণে কমপক্ষে ৪৫ জন আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর। বেশ কিছুক্ষণ সময় কেটে গেলেও শেয়ালগুলো সেখানেই অবস্থান করছে। এলাকার মানুষ আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে। তাই বন দফতরের কাছে আবেদন তাঁরা যেনো এই বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ করে। আর আহতদের দ্রুত চিকিৎসা বিশেষ করে ভ্যাকসিনের যোগান বাড়ানোর দিকেও প্রশাসনকে আরও নজর দিতে হবে। তৃণমূল বিধায়কের এই দাবিকে সমর্থন করেছে বিজেপি। এদিন বিজেপির পুরুলিয়ার বিধায়ক সুদীপ মুখোপাধ্যায় বলেন, "শেয়ালের আক্রমণে মানুষের নাভিশ্বাস উঠছে। বড় কোনও দুর্ঘটনা ঘটে যাওয়ার আগে সরকারকে এই বিষয়ে পদক্ষেপ করা উচিত। বন দফতরের উচিত শেয়ালগুলোকে ওই এলাকা থেকে জঙ্গলে ফেরত পাঠানো নয়তো খাঁচা পেতে ধরা। আহতদের চিকিৎসার পাশাপাশি আমরা ক্ষতিপূরণেরও দাবি জানাচ্ছি।"

advertisement

আরও পড়ুন: শান্তিকুঞ্জে নতুন আয়োজন, রঙিন পাঞ্জাবিতে সেজে উঠলেন শুভেন্দু অধিকারী

প্রসঙ্গত, হরদমনগর গ্রামে বেশ কিছুদিন ধরেই দু’-একটি করে শিয়াল দেখা যাচ্ছিল বলে জানিয়েছেন গ্রামবাসীরা। কিন্তু বৃহস্পতিবার ভোরে ২০-২২টি শিয়ালের পাল গ্রামে অতর্কিতে হানা দেয়। অনেকেই তখন ঘুমে, কেউ বা বাড়ির কাজ শুরু করেছেন, কেউ বা কাজে যাচ্ছেন বাইরে। সেই সময়ই একযোগে তাঁদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে শিয়ালের দল। মুখ ও হাত-পায়ে কামড় বসাতে শুরু করে তারা। প্রবল আতঙ্কে চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করে দেন গ্রামবাসীরা।

advertisement

আরও পড়ুন: নন্দীগ্রাম মামলা কি ভিন রাজ্যে? মমতা-শুভেন্দু দ্বৈরথে সব নজর ১৫ নভেম্বরের দিকে

এরপরেই লাঠিসোঁটা নিয়ে বেরিয়ে পড়েন গ্রামবাসীরা। গণপিটুনিতে মারা যায় তিনটি শিয়াল। আহতদের দ্রুত নিয়ে যাওয়া হয় হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রামীণ হাসপাতালে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ছোটন মণ্ডলের নেতৃত্বে বিশেষ ক্যাম্প করে আহতের চিকিৎসা শুরু চলছে। জানা গিয়েছে হামলা চালিয়ে শিয়ালের দল কয়েকজন গ্রামবাসীকে জঙ্গলের দিকে টেনেও নিয়ে যাওয়ারও চেষ্টা করে। কিন্তু তাতে সফল হয়নি তারা। তাদের আক্রমণে এক গ্রামবাসীর আঙুল খোয়া গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। গোটা গ্রাম আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে। মহিলা, শিশু এবং বৃদ্ধরা বাড়ি থেকে বেরোতে ভয়ও পাচ্ছেন। রাতেও পাহারা দিচ্ছেন গ্রামবাসীরা।

advertisement

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
কালচিনি ব্লকে ভয়াবহ কাণ্ড! রাস্তায় দাঁড়িয়ে বিক্ষোভ স্থানীয়দের
আরও দেখুন

বিধানসভায় দীর্ঘদিন ধরেই অনেক দাবি, অভিযোগ শোনা গিয়েছে। শাসক দলের আক্রমণ পালটা বিরোধিদের আক্রমণের দাবি নিয়ে দু'পক্ষেরই সরব হওয়ার স্বাক্ষীও রয়েছে বিধানসভা। কিন্তু শেয়ালের অত্যাচার নিয়ে বিধায়কের সরব হওয়ার এমন উদাহরণ সাম্প্রতিক অতীতে হয়েছে কিনা তা স্মরণ করতে পারছেন না অনেক প্রবীণ বিধায়কও। এইসব শুনে এক বিধায়ক রসিকতা করে বলেছেন, "তৃণমূল, বিজেপি, সিপিএম, কংগ্রেস এখন মারামারি করছে না? মানুষ এখন শেয়ালের ভয়ে আতঙ্কিত। আর শেয়ালের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করার দাবি জানাচ্ছে শাসক বিরোধী দু'পক্ষই। কিন্তু শেয়ালের কথা শোনার কেউ নেই। কারণ ওদের তো আর ভোট নেই।"

advertisement

বাংলা খবর/ খবর/উত্তরবঙ্গ/
West Bengal News: বিধানসভায় শিয়াল-কাণ্ড নিয়ে অভিযোগ, আতঙ্কে ঘরবন্দি হরিশ্চন্দ্রপুর
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল