গত ১৭ জুলাই মালদহের নালাগোলা পুলিশ ফাঁড়িতে গন্ডগোলের ঘটনা হয়। দলের কর্মী বুরন মুর্মু-র ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারের ঘটনার প্রতিবাদে নালাগোলা পুলিশ ফাঁড়ি ঘেরাও, বিক্ষোভ কর্মসূচি নেয় বিজেপি। সেইসময় ভাঙচুর, পুলিশের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা হয়। জুতো, ঝাঁটা নিয়ে পুলিশ ফাঁড়ি চত্বরে ঢুকে পড়েন বিজেপি সমর্থকরা। কর্মসূচির নেতৃত্বে ছিলেন বিজেপি সাংসদ ও বিধায়ক।
advertisement
আরও পড়ুন: বিরাট ঘটনা! নিয়োগ দুর্নীতিতে এবার সিবিআই-এর মুখে প্রধান শিক্ষিকারা! ব্যাপার কী?
ওই ঘটনাতেই বিজেপি সাংসদ ও বিধায়কের নামেও এফআইআর করা হয়েছে। ১৪৭, ১৪৮, ১৪৯, ১৮৬, ৩৩২,৩৫৩,৫০৬ IPC ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ। ক্ষমতা থাকলে পুলিশ গ্রেফতার করুক। নালাগোলা ফাঁড়িতে ভাঙচুরের কোনও ঘটনাই ঘটেনি। পুলিশ ছাঁইয়ের দঁড়ি পাকাচ্ছে। মিথ্যে মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে। ওইদিন খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত একজনকে দলের কর্মী, সমর্থকরা ধরার চেষ্টা করলে পুলিশ ফাঁড়িতে আশ্রয় নেন ওই যুবক। পুলিশে তাকে ফাঁড়ির পেছনে দরজা দিয়ে বের করে দেয়। এই ঘটনায় উত্তেজনা তৈরি হয়। পুলিশই এজন্য দায়ী।
আরও পড়ুন: জ্যোতি বসুকে ছুঁয়ে ফেললেন নবীন পট্টনায়েক! কিংবদন্তি নেতাকে টপকে গেলেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী
পুলিশের ফাঁড়ির টিনের ব্যারিকেট ভেঙেছে। ফাঁড়িতে কোনও ভাঙচুর হয়নি। সবই মিথ্যে মামলা। দল এবং আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেব। দরকারে পুলিশের বিরুদ্ধে মানহানি মামলা হবে। পাল্টা সরব বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু।
