পরিবারের অভিযোগ, তাঁদের ছেলেকে খুন করা হয়েছে। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে সরব হন মৃত ছাত্রের পরিবার। ঘটনায় ছেলের মৃতদেহ ময়নাতদন্ত করা হয় মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। পুলিশ ময়নাতদন্ত রিপোর্টে আত্মহত্যার কথা জানায় পরিবারকে। তবে সেই কথা মানতে নারাজ হয় পরিবার। সঠিক ময়নাতদন্তের দাবিতে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয় পরিবার। আদালতের নির্দেশ না আসা পর্যন্ত বাড়িতেই ফ্রিজে এবং বরফের মধ্যে রাখা হয় ছেলের মৃতদেহ।
advertisement
আরও পড়ুন: SSC মামলায় জয় পেল রাজ্য, নতুন বিজ্ঞপ্তি চ্যালেঞ্জ করা সব মামলা খারিজ করে দিল হাইকোর্ট!
মৃতের বাবা প্রেম কুমার মণ্ডল ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের দাবি সঠিক ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এবং দোষীকে গ্রেফতার না করা পর্যন্ত দেহ সৎকার হবে না। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে কোনও রকম গাফিলতি হলে আবার ময়নাতদন্ত করতে হবে বলে দাবি জানিয়েছিলেন পরিবারের সদস্যরা। এরপর উচ্চ আদালতের মামলা করার প্রায় ১৪ দিন পর হাইকোর্টের নির্দেশ আসে পুনরায় ময়নাতদন্তের জন্য।হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছে মৃতদেহ কল্যাণী এইমস-এ এনে নতুন করে ময়নাতদন্তে করাতে হবে।
আরও পড়ুন: ছাত্রছাত্রীদের জন্য ৭৫,০০০ টাকার স্কলারশিপ, কী কী সুবিধা? কারা পাবেন? সময় থাকতে আবেদন করুন
এ প্রসঙ্গে মালদহ জেলা আদালতের আইনজীবী অভিজিৎ মিশ্র বলেন, “হাইকোর্টের নির্দেশে আমরা যতটুকু জানতে পেরেছি, বৃহস্পতিবার দুপুর ১২ টার মধ্যে কল্যাণী এইমস-এ নিয়ে গিয়ে মৃতদেহটি পুনরায় ময়নাতদন্ত করানো হোক। মানিকচক থানার আইসি-কে মৃতদেহটি নিয়ে যেতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “আমাদের দাবি ছিল সেন্ট্রাল এজেন্সি দিয়ে পুনরায় ময়নাতদন্ত করানোর। সেই মতো হাইকোর্টের নির্দেশ এসেছে। আমরা চাই আগামী দিনে যেন এইরকম ঘটনা না ঘটে। তাই সেই বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে যেন একেবারে বন্ধ করা হোক। এবং এই ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার করা হোক।”
জিএম মোমিন





