TRENDING:

Alipurduar District Hospital: ১০০ টাকার এক্স-রে ৫০০ টাকা! জেলা হাসপাতালের মেশিন বিকল হওয়ায় বিপাকে রোগীরা, দেড় মাস ধরে দুর্ভোগ

Last Updated:

Alipurduar District Hospital: বেসরকারি এক্স-রে ল্যাবগুলিকে মুনাফা করার সুযোগ করে দিতেই জেলা সদর হাসপাতালের এক্স-রে মেশিন এতদিন খারাপ করে রাখা হচ্ছে বলেও অভিযোগ তুলেছেন রোগী ও তাঁদের আত্মীয়রা।

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
আলিপুরদুয়ার, রাজকুমার কর্মকারঃ ১০০ টাকার এক্স-রে একলাফে ৫০০ টাকা! জেলা সদর হাসপাতালের একমাত্র এক্স-রে মেশিন বিকল হওয়ার সুযোগে হাসপাতাল লাগোয়া বেসরকারি এক্স-রে ল্যাবগুলি বেশি টাকা নিচ্ছে বলে অভিযোগ। এখানেই শেষ নয়! বেসরকারি এক্স-রে ল্যাবগুলিকে মুনাফা করার সুযোগ করে দিতেই জেলা সদর হাসপাতালের এক্স-রে মেশিন এতদিন খারাপ করে রাখা হচ্ছে বলেও অভিযোগ তুলেছেন রোগী ও তাঁদের আত্মীয়রা। অভিযোগের কথা স্বীকার করে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন আলিপুরদুয়ার জেলা সদর হাসপাতালের রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান সুমন কাঞ্জিলাল।
আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতাল
আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতাল
advertisement

তিনি বলেন, “বেসরকারি এক্স-রে ল্যাবগুলো অত্যাধিক হারে টাকা নিচ্ছে বলে অভিযোগ আমার কাছেও এসেছে। নির্দিষ্ট করে কোনও বেসরকারি ল্যাবের বিরুদ্ধে অভিযোগ পেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেব। জেলা স্বাস্থ্য দফতর বিষয়টি খতিয়ে দেখুক এই আবেদন করছি। হাসপাতালের এক্স-রে মেশিন দ্রুত সারাইয়ের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।”

আরও পড়ুনঃ ভারতের প্রচলিত প্রাচীন বিষ্ণুমূর্তির থেকে একেবারে আলাদা! ইতিহাসের এক দুর্লভ নিদর্শন এগরা হট্টনাগর মন্দিরের বিষ্ণুমূর্তি, জড়িয়ে রয়েছে অজানা ইতিহাস

advertisement

জানা গিয়েছে, আলিপুরদুয়ার জেলা সদর হাসপাতালে পিপিপি মডেলে একমাত্র ডিজিটাল এক্স-রে মেশিনটি চলে। হাসপাতালের আউটডোর ও ইনডোর পরিষেবা নিতে আসা রোগীরা এই একটি এক্স-রে মেশিনের উপর নির্ভরশীল। এমনকি বাইরে বেসরকারি ডাক্তার দেখিয়েও রোগীরা কম খরচে জেলা সদর হাসপাতালে এক্স-রে করাতে পারেন। গত ৬ নভেম্বর এই মেশিন খারাপ হয়ে যায়। ফলে এখন কেউই পরিষেবা পাচ্ছেন না।

advertisement

হাসপাতালে এক্স রে করাতে আসা রাজেশ রায় বলেন, “প্রায় দেড় মাস হয়ে গেল হাসপাতালের এক্স-রে মেশিন খারাপ হয়ে রয়েছে। সামান্য পা মোচকে যাওয়ার এক্স-রে করাতে ৫০০ টাকা নিয়ে নিল বেসরকারি এক্স রে ল্যাব। হাসপাতালে এটা বিনা পয়সাতেই করতে পারতাম। এমন চললে আমরা গরিব মানুষরা কীভাবে চিকিৎসা করাব! আর এক্স-রে জরুরি প্রয়োজনেই করতে হয়।”

advertisement

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
নিরাপত্তা ছাড়াই মাঠে রানা! পুরনো বাইকেই বাজিমাত করতে নামলেন সিপিআইএম প্রার্থী
আরও দেখুন

বিষয়টি নিয়ে জেলা সদর হাসপাতালের সুপার ডাঃ পরিতোষ মন্ডল বলেন, “একটি পার্টস চলে এসেছে। বাকি দু’টো পার্টসও বিদেশ থেকে চলে আসবে। ইঞ্জিনিয়াররাও চলে এসেছেন। আগামী ২-৩ দিনে মেশিন ঠিক হয়ে যাবে বলে আশা করছি।“

বাংলা খবর/ খবর/উত্তরবঙ্গ/
Alipurduar District Hospital: ১০০ টাকার এক্স-রে ৫০০ টাকা! জেলা হাসপাতালের মেশিন বিকল হওয়ায় বিপাকে রোগীরা, দেড় মাস ধরে দুর্ভোগ
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল