রাজ্য শ্রম দফতর, উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ সংস্থার সহযোগিতায় এই বাস চালাবে। নাগরাকাটা ও মালবাজার থেকে এই পরিষেবা দেওয়া হবে বলে জানা যাচ্ছে। ধাপে ধাপে বাড়বে বাসের সংখ্যা। যে সব রুটে বাস চালানোর পরিকল্পনা – আলিপুরদুয়ার -১) লঙ্কাপাড়া থেকে বীরপাড়া ২) টোটোপাড়া থেকে মাদারিহাট ৩) ডেকপাপাড়া থেকে বীরপাড়া ৪)সেন্ট্রাল ডুয়ার্স থেকে কালচিনি ৫) মুজনাই চা বাগান থেকে এথেলবাড়ি, জলপাইগুড়ি – ১)পাথরঝোড়া চা বাগান থেকে ওদলাবাড়ি মোড় ২) ইঙ্গু চা বাগান থেকে মেটেলি ৩) বামনডাঙ্গা চা বাগান থেকে চেংমারি টি এস্টেট হাই স্কুল ৪) হিল্লা টি এস্টেট থেকে চেংমারি টি এস্টেট হাই স্কুল ৫)যোগেশচন্দ্র চা বাগান থেকে রাজডাঙ্গা পি এম হাইস্কুল ৬)মোগলকাটা চা বাগান থেকে বানারহাট হাইস্কুল৷ প্রায় ৩ কোটি ১৪ লক্ষ টাকা দিয়ে বাস কেনা হচ্ছে।
advertisement
যদিও কেন্দ্র অধিগৃহীত চা বাগানে বাস দেওয়ার কথা কেন্দ্রের। রাজ্য সরকার নিজ উদ্যোগে সমস্ত বাগানের ছাত্র-ছাত্রীদের যাতায়াতের জন্য বাস পরিষেবা দেবে। ২৬-এর ভোটের আগে নজরে উত্তরবঙ্গ। চা বলয়ের রাজনীতি নিয়ে যুযুধান তৃণমূল ও বিজেপি দুই পক্ষই। চা শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি তিনশো টাকা করার প্রতিশ্রুতি অভিষেকের। শনিবার আলিপুরদুয়ারের সভা থেকে কেন্দ্রকে তোপ দেগেছিলেন অভিষেক। একদিন পরই পাল্টা জবাব দিলেন বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্তা।
আরও পড়ুন– ফের পারদ পতনের পূর্বাভাস ! কোথায় কত কমবে তাপমাত্রা? জেনে নিন
অভিষেক বলেন, “আমাদের সরকার ক্ষমতায় আসার আগে মজুরি ছিল ৬০ টাকা। ধাপে ধাপে বাড়িয়ে ২৫০ টাকা করা হয়েছে। আমি জানি এই টাকায় ঘর-সংসার চলে না। এরপরই তিনি আশ্বাস দেন, ৩-৪ মাসের মধ্যে নতুন সরকার গঠন হলে প্রথম প্রায়োরিটি হবে আলিপুরদুয়ার। দরকার হলে আবার আসব। অথবা সিনিয়র কাউকে পাঠাব। রাজ্য সরকার, লেবার ইউনিয়ন আর চা বাগানের ম্যানেজমেন্টের মধ্যে ত্রিপাক্ষিক মিটিং হবে। ৩০০ টাকা ডেইলি ওয়েজ করে দেওয়া হবে।” রাজু বিস্তা বলেন, “চা বাগানের শ্রমিকদের শোষণ বন্ধ হবে। নূন্যতম মজুরি ২৫০ থেকে ৩৫০ হবে। কমপক্ষে ৩০০ টাকা ক্যাশ দিতেই হবে। দেরী হলে বেশি দিতে হবে। পিএ, সোশ্যাল সিকিউরিটি সব কিছুর ব্যবস্থা করা হবে।”
