দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুশমন্ডি ব্লকের মহিষবাথান এলাকার মূলত এই মুখা শিল্প রয়েছে। তবে তপন ব্লকের শিল্পী গণেশ বর্মনের এই কদর খুব একটা কম নয়। প্রথম অবস্থায় তিনি মাটির ঠাকুর বানানোর কাজ শুরু করলেও বয়স বাড়ার কারণে সেই কাজ তিনি তেমনভাবে করতে না পারায়, পরবর্তী সময়ে এই মুখার কাজ তিনি শুরু করেন। আস্তে আস্তে তিনি তপন ব্লক জুড়েই নিজের খ্যাতি প্রসার করে ফেলেছেন ইতিমধ্যেই। শুধুমাত্র তপন ব্লকই নয়, জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বহু মানুষ মুখা বানানোর জন্য ছুটে আসেন গণেশ বাবুর কাছে।
advertisement
শিল্পী গণেশ বর্মনের কথায়, “একটি বড় মুখা বানাতে প্রায় ১৫ থেকে ২০ দিন সময় লাগে। ভাল মুখা তৈরি করতে পারলে লাভের পরিমাণটাও যথেষ্ট রয়েছে। মূলত গামারি কাঠ দিয়েই মুখাগুলো তৈরি করা হয়। বড় মুখা সাত থেকে আট হাজার বা ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়ে থাকে।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
বাপ দাদার শেখানো পথ ধরে জীবনের বেশিরভাগ সময় অতিবাহিত করলেও বর্তমানে এই মুখোশ বানিয়েই চলেছেন গণেশ বাবু। তবে তাঁর মুখে ভিন্ন ধরনের সুর। কেননা আগামী প্রজন্ম এই কাজে তেমনভাবে আগ্রহী হচ্ছে না। এমনকি দুর্মূল্যের বাজারে যেভাবে অন্যান্য পণ্যের দাম উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে, এতে তাদের বানানো জিনিসের দাম খুব একটা বাড়েনি বললেই চলে। তবে, সরকারিভাবে কোন সুযোগ সুবিধা পেলে ভালভাবে বাঁচিয়ে রাখতে পারবেন এই শিল্প। বৃদ্ধি পাবে জেলার প্রাচীন ঐতিহ্য মুখোশ শিল্পের কাজ।
সুস্মিতা গোস্বামী





