জানা গিয়েছে, স্থানীয় কমল রায়ের সঙ্গে অধীর রায়ের একটি জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিবাদ চলছিল। সেই জমি নিয়ে একাধিকবার সালিশি সভা হয়। রবিবার সেই জমিতে কমলের পরিবারের লোকজন ঘর তৈরির কাজ করতে গেলে অধীরের পরিবারের লোকজন ঝামেলা সৃষ্টি করেন বলে অভিযোগ। সেই ঝামেলা গোয়ালপোখর থানার পুলিশের হস্তক্ষেপে সামলেও যায়। এরপর রাতে তা বড় আকার নেয়।
advertisement
অভিযোগ, এলাকার এক নামকীর্তনে যাওয়ার সময় কমলের ছেলে সুজিত রায়কে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপাতে শুরু করেন অধীরের পরিবারের সদস্যরা। দাদাকে বাঁচাতে গিয়ে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে জখম হন ছুটিতে আসা বিএসএফ জওয়ান সত্যজিৎ রায়।
এই ঘটনায় দু’জনকে উদ্ধার করে গোয়ালপোখরের লধন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে গেলে চিকিৎসক সুজিতকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। অন্যদিকে, মৃতের ভাই সত্যজিতের আঘাত গুরুতর হওয়ায় তাঁকে প্রথমে ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতাল ও পরে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালে রেফার করা হয়।
এই ঘটনার খবর পেয়ে রাতেই ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে ছুটে আসেন গোয়ালপোখরের বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী গোলাম রব্বানী। মৃতের পরিবারের সদস্যরা তৃণমূল করেন বলে দাবি পরিবার ও মন্ত্রীর। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে গোয়ালপোখর থানার পুলিশ।
