সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের পক্ষ থেকেও গোটা দেশকেও ওই সময়ের মধ্যেই ‘মাওবাদী মুক্ত’ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ওড়িশাতে বহুদিন ধরে চলা মাওবাদী-পুলিশ বাহিনীর সংঘর্ষের এটাই শেষ পর্যায় বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
সূত্রের খবর ওড়িশার ডিজিপি এবং বিএসএফের ইন্সপেক্টর জেনারেলের তত্ত্বাবধানে চলবে এই যৌথ অভিযান। প্রথমে মাওবাদীদের শক্তঘাঁটি গুলিতে আক্রমণ চালাবে পুলিশবাহিনী। আর এরপরে মূলত ছোট ছোট ঘাঁটি গুলি যেমন- কান্ধামাল, কালাহান্ডি, মালকানগিরি, এবং রায়াগাদা প্রভৃতি অঞ্চলে যৌথ বাহিনী অভিযান চালাতে পারে বলে জানানো হয়েছে। এই রুট গুলি মূলত ছত্তিসগড় এবং অন্ধ্রপ্রদেশ পালাতে মাওবাদীরা ব্যবহার করে থাকে।
advertisement
একই সঙ্গে ওড়িশা সরকার মাওবাদীদের আত্মসমর্পণ এবং তাঁদের সমাজের মূল স্রোতে ফিরিয়ে আনার কাজ চালিয়ে যাবে। তাঁদের আর্থিক সাহায্য করা হবে। কিন্তু, একইসঙ্গে নাশকতার সঙ্গে যুক্ত মাওবাদীদের রেয়াত করা হবে না বলেই স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। অস্ত্র সমর্পণ না করলে গোটা রাজ্য থেকে মাওবাদী নিকেশের ডেডলাইন স্পষ্ট করল ওড়িশা সরকার।
