তদন্তের অংশ হিসেবে, অফিসাররা তাঁর ছেলে, বি কম পড়ুয়া অক্ষতপ্রতাপ সিং-কে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদের সময় সে অপরাধ স্বীকার করে। ডিসিপি বিক্রান্ত বীর বলেন, অভিযুক্ত তরুণ তদন্তকারীদের জানিয়েছেন যে ২০ ফেব্রুয়ারি ভোর ৪.৩০ মিনিটে ঝগড়ার পর সে তার বাবাকে রাইফেল দিয়ে গুলি করে। অক্ষতের অভিযোগ, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য বাবা তাকে চাপ দিচ্ছিলেন বলে সে বিরক্ত ছিল।
advertisement
পুলিশ জানিয়েছে যে গুলি চালানোর পর, অভিযুক্ত তরুণ বাড়ির তিন তলা থেকে নীচে একতলার একটি ঘরে নিথর দেহটি নিয়ে যায়। এর পর প্রমাণ লোকানোর চেষ্টায় সে দেহটি টুকরো টুকরো করে ফেলে বলে অভিযোগ। জানা গিয়েছে, কিছু দেহাংশ সাদারৌনা গ্রামের কাছে ফেলে দেওয়া হয়েছিল, বাকিগুলি বাড়িতে একটি ড্রামের ভিতরে রাখা হয়েছিল। তল্লাশির সময়, কর্মকর্তারা বাড়ির একতলা থেকে বেশ কয়েকটি দেহাবশেষ উদ্ধার করেন।
পুলিশ জানিয়েছে, মানবেন্দ্রপ্রতাপ চেয়েছিলেন তাঁর ছেলে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বসুক এবং চিকিৎসা পেশায় প্রবেশ করুক। কিন্তু ছেলে এর বিরুদ্ধে ছিল। এই নিয়ে দুজনের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হত এবং এই নিয়ে যুবকটি একবার বাড়ি থেকে পালিয়েও গিয়েছিল। এর পর, শুক্রবার বিকেল ৪.৩০ টার দিকে আরও এক দফা ঝগড়ার পর, অক্ষত তার বাবাকে রাইফেল দিয়ে গুলি করে। তার পর সে তিন তলা থেকে এক তলায় মৃতদেহটি নিয়ে যায় এবং একটি ফাঁকা ঘরে সেটি টুকরো টুকরো করতে শুরু করে।
আরও পড়ুন : গুলিবিদ্ধ পা! দুর্গম পার্বত্য এলাকায় জইশ-ঘাঁটি চিনিয়ে দিল সেনাবাহিনীর সারমেয় টাইসন! অভিযানে খতম ৩ জঙ্গি
তার বোন তাকে দেখে আতঙ্কে চুপ করে যায়। অভিযোগ, এর পর বোনের সামনেই বাবার নিথর দেহ টুকরো টুকরো করতে থাকে অক্ষত এবং খণ্ডিত শরীরের কিছু অংশ প্লাস্টিকে ভরে রাখে, পুলিশ জানিয়েছে। পরে সে সেগুলো সদারুনার কাছে ফেলে দেয়। ধড়-সহ কিছু অংশ সে নীল ড্রামে ঢুকিয়ে দেয়, যা ঘরের ভিতরে রাখা ছিল।
তার স্বীকারোক্তির পর, ফরেনসিক দলকে ডাকা হয়েছে এবং তারা বর্তমানে বাড়ি থেকে নমুনা সংগ্রহ করছে। দেহের অংশগুলি শনাক্ত করার চেষ্টাও চলছে। অক্ষতকে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে।আইনের প্রাসঙ্গিক ধারা অনুসারে আইনি প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে।
