Ranchi-Delhi Air Ambulance Crash News: কলকাতা এটিসি-র সঙ্গে করা হয়েছিল যোগাযোগ, আগুনে পোড়া রোগীকে প্রাণ বাঁচাতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল দিল্লি, তার বদলে নামল মৃত্যুর কালো ছায়া
- Published by:Debalina Datta
- news18 bangla
Last Updated:
Ranchi-Delhi Air Ambulance Crash News: ঠিক কীভাবে হারিয়ে গেল যোগাযোগ, কেন ভেঙে পড়ল এয়ার অ্যাম্বুলেন্স চলে গেল ৭ টি প্রাণ
advertisement
1/8

কলকাতা: অজিত পাওয়ারের বিমান দুর্ঘটনার পর, আরেকটি বিমান দুর্ঘটনা ঘটেছে। সোমবার সন্ধ্যায় রাঁচি থেকে দিল্লিগামী একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স দুর্ঘটনায় পড়ে।এই দুর্ঘটনা কখন এবং কী ভাবে ঘটেছিল? ডিজিসিএ-এর তথ্য অনুসারে বিমানটি রাঁচি থেকে দিল্লির উদ্দেশ্যে সন্ধ্যা ৭:১১ মিনিটে উড়েছিল৷ ওড়ার পর সন্ধ্যা ৭:৩৪ মিনিটে হঠাৎ করেই বিমানের ট্র্যাফিক কন্ট্রোলের (এটিসি) সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। বিমান কর্তৃপক্ষ সঙ্গে সঙ্গে হাই অ্যালার্ট জারি করে। ছত্রা জেলার সিমারিয়া থানা এলাকার কর্মাতন্দ গ্রামের কাছে একটি জঙ্গলে বিমানটি ভেঙে পড়ে। স্থানীয়রা জানান, জঙ্গল থেকে বিকট শব্দ শোনা যায় এবং ধোঁয়া উঠতে দেখা যায়। এরপর পুলিশ এবং জেলা প্রশাসন ঘটনাস্থলে যায়।
advertisement
2/8
কীভাবে তল্লাশি অভিযান চালানো হয়েছিল?যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার পরপরই, সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলি একটি বিশাল অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান শুরু করে। রাডার তথ্য এবং বিমানের শেষ অবস্থানের ভিত্তিতে অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ বাহিনী এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা দল যৌথভাবে এই অভিযানে জড়িত। সূত্রের খবর, ED CAP (জরুরি ডেটা সেন্ট্রালাইজড অ্যাকশন প্ল্যান) পুরো ঘটনাটি পর্যবেক্ষণ করছে।
advertisement
3/8
বিমান দুর্ঘটনার কারণ কী?রাঁচি থেকে দিল্লিগামী এয়ার অ্যাম্বুলেন্স দুর্ঘটনার কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। দুর্ঘটনার কারণ বর্তমানে তদন্তাধীন। দুর্ঘটনার কারণ সম্পর্কে অফিসিয়াল তথ্য পূর্নাঙ্গ তদন্তের পরেই প্রকাশ করা হবে। তবে কিছু প্রতিবেদনে স্থানীয় খারাপ আবহাওয়াকে দায়ি করা হচ্ছে।
advertisement
4/8
ডিজিসিএ কী বলেছে?সিভিল এভিয়েশন ডিরেক্টরেট জেনারেল (ডিজিসিএ) একটি বিবৃতি জারি করে জানিয়েছে যে রেড বার্ড এয়ারওয়েজ প্রাইভেট লিমিটেডের একটি বিচক্রাফ্ট সি৯০ বিমান রাঁচি-দিল্লি রুটে একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স পরিচালনা করছিল। বিমানটি ঝাড়খণ্ডের ছত্রা জেলার কাসারিয়া পঞ্চায়েতে বিধ্বস্ত হয়। বিমানটিতে সাতজন আরোহী ছিলেন, যার মধ্যে দুইজন ক্রু সদস্যও ছিলেন।
advertisement
5/8
আপনি কেন কলকাতা এটিসির সঙ্গে যোগাযোগ করলেন?রাঁচি থেকে দিল্লির উদ্দেশ্যে যাত্রা করা এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি সন্ধ্যা ৭:১১ মিনিটে রাঁচি থেকে যাত্রা শুরু করে। কলকাতার সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের পর, খারাপ আবহাওয়ার কারণে বিমানটি অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করে। ৭:৩৪ মিনিটে, কলকাতার প্রায় ১০০ নটিক্যাল মাইল দক্ষিণ-পূর্বে বিমানটির যোগাযোগ এবং রাডারের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
advertisement
6/8
কোন কোম্পানির এয়ার অ্যাম্বুলেন্স?এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি রেডবার্ড এয়ারওয়েজ প্রাইভেট লিমিটেডের ছিল। বিমানটির নিবন্ধন নম্বর ছিল VT-AJV। এটি একটি বিচক্রাফ্ট C90 বিমান ছিল।অপারেটর: রেডবার্ড এয়ারওয়েজ প্রাইভেট লিমিটেডবিমান নিবন্ধন: ভিটি-এজেভিবিমানের ধরণ: বিচক্রাফ্ট সি৯০
advertisement
7/8
বিমানে থাকা লোকজন কারা ছিল?বিমানটিতে দু'জন পাইলট ছিলেন১. ক্যাপ্টেন বিবেক বিকাশ বিলগাত২. ক্যাপ্টেন সাওয়ারদীপ সিংএছাড়াও ফ্লাইটে মোট পাঁচজন যাত্রী ছিলেন।১. সঞ্জয় কুমার - রোগী২. অর্চনা দেবী - অ্যাটেনডেন্ট৩. ধুরু কুমার - অ্যাটেনডেন্ট৪. ডাঃ বিকাশ কুমার গুপ্ত - ডাক্তার৫. শচীন কুমার মিশ্র - প্যারামেডিক
advertisement
8/8
কেন রাঁচি থেকে দিল্লিতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি আসছিল, কাকে বহন করে নিয়ে যাচ্ছিল?পেট্রোলিয়াম পণ্যের আগুনে রোগী সঞ্জয় কুমার গুরুতরভাবে পুড়ে গিয়েছিলেন। দুর্ঘটনায় তার শরীরের প্রায় ৬৩% পুড়ে গিয়েছিল। প্রথমে তাঁকে চিকিৎসার জন্য রাঁচির দেবকমল হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়, যেখানে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা এবং সহায়ক সেবা দেওয়া হয়। তার ক্রিটিক্যাল অবস্থা বিবেচনা করে ডাক্তাররা তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দিল্লির উন্নত হাসপাতলে চিকিৎসার জন্য রেফার করার পরামর্শ দেন। এরপরেই তাঁকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে দিল্লিতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল৷