উল্লেখ্য, রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ সংক্রান্ত মামলা দীর্ঘদিন ধরেই সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন। গত ১৬ মে বিচারপতি সঞ্জয় কারোল এবং বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্রের বেঞ্চ রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দিয়েছিল, চার সপ্তাহের মধ্যে বকেয়া ডিএ-র ২৫ শতাংশ মিটিয়ে দিতে হবে। কিন্তু আদালতের সেই নির্দেশ মানা হয়নি। বরং নির্ধারিত সময়সীমার একেবারে শেষ মুহূর্তে রাজ্য সরকার শীর্ষ আদালতের কাছে আরও ছয় মাস সময় চেয়ে আবেদন জানায়।
advertisement
গত বছর ৮ সেপ্টেম্বর আদালতে DA মামলার শুনানিপর্ব শেষ হয়। আদালত রাজ্য সরকার এবং রাজ্য় সরকারি কর্মচারীদের তিন সপ্তাহের মধ্যে লিখিত বক্তব্য জমা দিতে বলেছিল। বর্তমানে রাজ্য সরকারের কর্মচারীরা ১৮% হারে DA পান। সব মিলিয়ে কেন্দ্র রাজ্যের মধ্য়ে DA-র ফারাক ৪০%। রাজ্য সরকারের কর্মীরা কি বকেয়ে DA পাবেন? আদালতের রায়ের দিকে এখন সবার নজর।
আরও পড়ুন– শুক্রবার থেকে রাজ্যে ফের নামবে পারদ ! বিদায়ের আগে শীতের শেষ কামড়
গত ১৬ মে এই মামলায় বিচারপতি সঞ্জয় কারোল ও বিচারপতি মনোজ মিশ্রের ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশ দেয়, চার সপ্তাহের মধ্যে বকেয়া ডিএ-র অন্তত ২৫ শতাংশ রাজ্য সরকারকে মিটিয়ে দিতে হবে। শুনানিতে রাজ্যের পক্ষে আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি যুক্তি দেন, মহার্ঘভাতা রাজ্য সরকারি কর্মীদের অধিকার হিসেবে বিবেচিত নয়। তবে সে বিষয়ে বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ ছিল স্পষ্ট—তা অধিকার হিসেবে ধরা হোক বা না হোক, দিনের পর দিন কর্মীদের প্রাপ্য অর্থ আটকে রাখা যায় না। ন্যূনতম অংশ হলেও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তা পরিশোধ করতেই হবে।
