মঙ্গলবার স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গোটা ফার্মাসিউটিক্যাল সাপ্লাই চেইনে নৈতিকতা বজায় রাখতে এবং রোগীর সুরক্ষা নিশ্চিত করতে নিয়মিত নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
advertisement
সম্প্রতি বাজারে GLP-1 ওষুধের একাধিক জেনেরিক সংস্করণ আসার পর থেকেই উদ্বেগ বাড়ে। অভিযোগ, এই ওষুধগুলি এখন প্রেসক্রিপশন ছাড়াই খুচরো ফার্মাসি, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, পাইকারি বিক্রেতা এবং বিভিন্ন ওয়েলনেস বা স্লিমিং ক্লিনিক থেকে সহজেই পাওয়া যাচ্ছে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রক স্পষ্ট জানিয়েছে, চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এই ধরনের ওষুধ ব্যবহার করলে গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
এই পরিস্থিতিতে গত ১০ মার্চ, ২০২৬-এ ড্রাগ কন্ট্রোলার নির্মাতাদের জন্য একটি বিস্তারিত নির্দেশিকা জারি করেছে। সেখানে সারোগেট বিজ্ঞাপন বা কোনও ধরনের পরোক্ষ প্রচার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে, যা সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করতে পারে বা অনুমোদনহীন ব্যবহারে উৎসাহিত করে।
ইতিমধ্যেই দেশজুড়ে কড়া অভিযান শুরু হয়েছে। অনলাইন ফার্মাসির গুদাম, পাইকারি ও খুচরো বিক্রেতা এবং বিভিন্ন স্লিমিং ক্লিনিক-সহ মোট ৪৯টি প্রতিষ্ঠানে পরিদর্শন চালানো হয়েছে। এই অভিযানে অনুমোদিত বিক্রি, প্রেসক্রিপশন ছাড়া ওষুধ দেওয়া এবং বিভ্রান্তিকর প্রচারের মতো একাধিক অনিয়ম ধরা পড়েছে। সংশ্লিষ্টদের নোটিসও পাঠানো হয়েছে।
নিয়ন্ত্রক সংস্থা জানিয়েছে, এই ধরনের ওষুধ কেবলমাত্র এন্ডোক্রিনোলজিস্ট ও ইন্টারনাল মেডিসিন বিশেষজ্ঞদের প্রেসক্রিপশনেই ব্যবহারযোগ্য। নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে কার্ডিওলজিস্টরাও তা লিখতে পারেন। আগামী দিনেও এই নজরদারি আরও বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক। নিয়ম না মানলে লাইসেন্স বাতিল, জরিমানা এবং আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বলেও স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে।
