এদিন নিজাম প্যালেস থেকে বেরিয়ে বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্ত বলেন, ‘‘পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে কে কে আসত, আমার কাছে সেটা জানতে চেয়েছে সিবিআই। আমার কাছে যা যা নথি পেয়েছিল, তার অধিকাংশ আমার পার্সোনাল ডকুমেন্ট। ১০ পার্সেন্টেরও কম অ্যাডমিট কার্ড পাওয়া গিয়েছে। কিন্তু, তার সঙ্গে নিয়োগের কোনও লিঙ্ক পায়নি। একটা রেকমেন্ডেশন লেটার পাওয়া গিয়েছিল। স্বাস্থ্য বিভাগের ক্যাজুয়াল স্টাফের। তার সঙ্গে নিয়োগের কোনও যোগাযোগ নেই। বেশ কিছু ব্যক্তিগত প্রশ্ন করা হয়। কারা আসতেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে। সে সব জানতে চাওয়া হয়।’’
advertisement
আরও পড়ুন: দুয়ারে লোকসভা নির্বাচন! তার আগে ঠাসা কর্মসূচি নিয়ে মাসের শেষেই উত্তরবঙ্গে মমতা
তিনি জানান, তাঁকে একা বসিয়েই এদিন জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে তাঁকে৷ ফের তলবও করা হয়নি৷ বাপ্পাদিত্য বলেন, ‘‘আমাকে আবার যদি ডাকে তদন্তে সহযোগিতা করার জন্য আসব। ফের কবে আসতে হবে সে ব্যাপারে কিছু জানায়নি। ডাকলে আমি আবার আসব।’’
এদিকে অপর তৃণমূল কাউন্সিলর দেবরাজ চক্রবর্তী নিজাম থেকে বেরিয়ে বলেন, ‘‘আমার বাড়িতে কিছু কাগজ পেয়েছিল। আজ সেই বিষয় নিয়ে কিছু প্রশ্ন করে। ৩১ জানুয়ারি আমাকে আবার ডেকেছে। আমি আসব। সেদিন বেশ কিছু ডকুমেন্ট চেয়েছে।’’
অন্যদিকে, প্রাইমারি নিয়োগ দুর্নীতি মামলার অন্যতম অভিযুক্ত সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ঘনিষ্ঠ রাহুল বেরাকেও বৃহস্পতিবার তলব করেছিল সিবিআই। কালীঘাটের কাকু ঘনিষ্ঠ সিভিক ভলান্টিয়ার হলেন রাহুল। রাহুল ও তাঁর আইনজীবী জানান, রাহুল বেরা সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রকে চারাগাছ দিতেন। ৩-৪ বার গিয়েছিলেন সুজয়ের বাড়ি। সিবিআই সূত্রে খবর, রাহুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, সুজয়ের মোবাইলে থাকা একাধিক লেনদেন সংক্রান্ত কথোপকথন নষ্ট করতে রাহুলের ভূমিকা ছিল। এর আগেও রাহুলকে কয়েকবার সিবিআই তলব করেছিল। তবে রাহুলের দাবি, উনি মোবাইলের কোনও কথোপকথন নষ্ট করেননি৷
