বার অ্যান্ড বেঞ্চের রিপোর্ট অনুযায়ী, এদিন দেশের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি এবং এনভি আনজারিয়ার বেঞ্চ জানায়, যৌন হেনস্থার মতো বিষয় বিচার করতে গেলে শুধু মাত্র আইনি প্রক্রিয়ার কথা না ভেবে সহমর্মিতা এবং সহানুভূতির সঙ্গে ভাবতে হবে৷ পাশাপাশি, আদালত জানিয়েছে, অভিযোগকারিণীর মানসিক অবস্থা যদি আদালত বুঝতেই না পারে, তাহলে সুবিচার হবে কী করে৷
advertisement
সুপ্রিম কোর্ট তার পর্যবেক্ষণে জানিয়েছে, ‘‘যে সমস্ত অভিযোগ এসেছে, তা কেবল ধর্ষণের অপরাধ সংঘটনের প্রস্তুতি, ধর্ষণের চেষ্টা নয়, আমরা হাইকোর্টের এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত হতে পারি না৷’’
১১ বছরের এক নাবালিকার স্তনে হাত দিয়ে তাকে কালভার্টের নীচে টেনে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছিল পবন এবং আকাশ নামে দুই যুবকের বিরুদ্ধে৷ সেই সময় দু’জনের একজন ওই বালিকার সালোয়ারের দড়ি টেনে ছিঁড়ে দেয়৷ তবে ঠিক সময়ে লোক এসে পড়ায় বেঁচে যায় নাবালিকা৷
মামলা দায়েরা আদালতে উঠলে, আদালত এক্ষেত্রে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ আনে৷ ট্রায়াল কোর্ট ঘটনাটিকে ধর্ষণের চেষ্টা বা যৌন নির্যাতনের চেষ্টা হিসেবে বিবেচনা করে, যা শিশুদের যৌন অপরাধ থেকে সুরক্ষা (পকসো) আইনের অধীনে এবং অভিযুক্তকে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৭৬ ধারা এবং পকসো আইনের ১৮ ধারার অধীনে তলব করা হয়।
তবে এলাহাবাদ হাইকোর্টে অভিযুক্তেরা পুনরায় আবেদন করলে হাইকোর্ট ১৭ মার্চ, ২০২৫ এলাহাবাদ হাইকোর্ট রায় দেয়, অভিযুক্তদের আও কম গুরুতর কোনও ধারার অধীনে বিচার করা উচিত৷ 354-বি (বস্ত্র খুলে ফেলার উদ্দেশ্যে আক্রমণ) এবং তীব্র যৌন নির্যাতনের সাথে সম্পর্কিত পকসো আইনের ধারা 9 এবং 10 এর লঘু অপরাধের অধীনে বিচারের নির্দেশ দেয়।
পরে এবিষয়ে স্বতঃপ্রণোদিত উৎসাহ নেয় এব এলাহাবাদ হাইকোর্টের ওই রায়ের উপরে স্থগিতাদেশ জারি করে৷
