সোমবারই এ বিষয়ে রাজ্য সরকারের হয়ে আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী৷ এসআইআর তালিকা প্রকাশের পর যাদের নাম ভোটার লিস্ট থেকে বাদ পড়েছে, তাদের নাম কেন বাদ পড়েছে সেই কারন প্রকাশ্যে আনতে হবে, এদিন নির্দেশ দিল শীর্ষ আদালত৷
advertisement
এদিনের শুনানিতে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে ৭.৫ লাখের মধ্যে ৩.০৪ লাখ আবেদন বাতিল হয়েছে। মামলার শুনানিতে প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত বলেন, ২৭ ফেব্রুয়ারির নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতি জানিয়েছেন— ১০ লক্ষ ১৬ হাজার অ্যাডজুজিকেশন লিস্ট ডিসপোস্টড করেছেন জুডিশিয়াল অফিসারেরা। ৭০৯ লগ ইন আইডি তৈরি হয়েছে। সেনসিটিভ জেলায় অবস্থা সামলানোর জন্য। কিন্তু জুডিশিয়াল অফিসারেরা কিছু সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন কমিশনের তরফে কিছু সমস্যার জন্য। আইনজীবী নাইডুকে অবিলম্বে সেই সমস্যার সমাধান করা এবং সমস্ত রকম লজিস্টিক সাপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ দিচ্ছি।”
অন্যদিকে এদিনের শুনানিতে প্রশ্ন ওঠে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা নিয়ে। সেই প্রসঙ্গে আদালত শীর্ষ জানিয়েছে, “সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশের ক্ষেত্রে যেমন যেমন কাজ শেষ হবে তেমন তেমন প্রধান বিচারপতি রেকমেন্ড করবেন কমিশনকে তালিকা প্রকাশের জন্য।”
আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী এদিনের শুনানির শুরুতেই বলেন, এখনও পর্যন্ত ৭ লাখ নাম ক্লিয়ার হয়েছে। এখনও ৫৩ লাখ বাকি রয়েছে। সূর্যকান্ত— আমরা জানতাম যখনই আমরা জুডিশিয়াল অফিসার নিয়োগ করব, আপনারা পালাবেন। একইসঙ্গে তিনি বলেন, এটা অত্যন্ত তড়িঘড়ি করা আবেদন। আমাদের আজই প্রধান বিচারপতি জানিয়েছেন, ১০ লাখ কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে। আপনারা একটু তড়িঘড়ি করছেন। সিজিআই সূর্যকান্ত বলেন আমি প্রকাশ্য কোর্টে বলছি না কিন্তু জুডিশিয়াল অফিসারদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে। আমরা আমাদের কড়া অবস্থান জানাচ্ছি।
