এদিন কমিশনের আইনজীবী মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডকে নথি হিসাবে পেশ করা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করতে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি বলেন, ‘‘মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড গ্রহণের কথা বলা হয়েছিল, কারণ মাধ্যমিক পাশ সার্টিফিকেটে জন্মের তারিখ এবং বাবার নাম থাকে না। মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডে কী আছে,তার সম্পর্কে বাংলার বিচারকেরা অবগত। তাই সেই নথির কথা বলা হয়েছে।’’এরপরে কমিশনের আইনজীবী প্রশ্ন করেন, ‘‘কিন্তু আধারের মতোই স্ট্যান্ড অ্যালোন নথি হিসেবে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড ব্যবহার করা যেতে পারে না৷’’
advertisement
আরও পড়ুন: রহস্য বাড়াচ্ছে একটা ‘বাইক’! হাওড়ার শুটআউটে প্রোমোটার খুন…নজরে হারুন-রোহিতের ‘কানেকশন’
তখন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি বিষয়টি স্পষ্ট করে বলেন, ‘‘আমরা মাধ্যমিক পাশ সার্টিফিকেটের কথা উল্লেখ করিনি, কারণ সেটা বাকি নথির মধ্যে রয়েছে, মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড সেটাকে সাপ্লিমেন্ট করবে৷’’ অর্থাৎ, কোনও ভোটার যদি নথি হিসাবে মাধ্যমিক পাশের সার্টিফিকেট পেশ করেন, তাহলে বয়স এবং বাবার নামের উল্লেখ থাকার জন্য মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডও পেশ করতে পারেন৷ কিন্তু, শুধুমাত্র মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড পৃথক স্বয়ংসম্পূর্ণ নথি হিসাবে প্রযোজ্য হবে না৷
আইনজীবী গোপাল সুব্রহ্মণ্যম বলেন, ‘‘ মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড তাঁদের কাছেও থাকে যাঁরা মাধ্যমিকে বসেছেন কিন্তু পাশ করেননি৷’’তখন বিচারপতি বাগচি জানান, বিষয়টি নিয়মের চাহিদা পূরণ করে না৷
সবপক্ষের বক্তব্য শুনে রায়ে কিছুটা পরিমার্জন করে সর্বোচ্চ আদালত৷ জানানো হয়, ‘‘ইআরও এবং এইআরওদের কাছে ১৫ ফেব্রুয়ারির আগে যে সব নথি জমা পড়েছে, সেই সব নথি তাঁরা আগামিকাল বিকেল ৫টার মধ্যে প্রিসাইডিং অফিসারের হাতে হস্তান্তর করবেন৷ মাধ্যমিকের পাশ সার্টিফিকেটের সঙ্গে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড জমা দেওয়া যেতে পারে বয়সের এবং অভিভাবকত্বের প্রমাণপত্র হিসেবে।’’
