সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চের সামনে তিনি তাঁর আবেদনে বলেন, “যাঁদের নাম বাকি থাকছে, তাঁদের ভোট দেওয়ার অধিকার দেওয়া হোক, যেহেতু তাঁরা ড্রাফট তালিকায় রয়েছেন। ১৪ জন প্রার্থী অ্যাডজুডিকেশন তালিকায় রয়েছেন। তাঁদের নাম ক্লিয়ার করার চেষ্টা করা হোক দ্রুত। সে ক্ষেত্রে নির্দেশ দিক আদালত।
advertisement
বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, “মূল দুটো ইস্যু ছাড়া বাকি ইস্যু কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি দেখে নিতে পারেন।” তাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী শ্যাম দিওয়ান বলেন,
“বিচারপতিরা আলোচনা করছেন।” আশ্বস্ত করে সূর্য কান্ত জানান,”সব রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা গিয়ে প্রধান বিচারপতির কাছে কথা বলতে পারেন।”
আদালতে একই আবেদন করেন আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যও। তিনি বলেন, “ভোটার তালিকা না প্রকাশ হলে সম্ভাব্য যে কোনও ব্যক্তিরই প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা হওয়ার সুযোগ হাতছাড়া হয়ে যাবে। সুপ্রিম কোর্টে উত্তরে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, “আমরা দেখব সেটা সময় মতো। আপাতত রেকগনাইজড রাজনৈতিক দলগুলো যাক।
এরপর সূর্য কান্ত বলেন, “আমরা আপনাদের দেওয়া পরামর্শের নোট শেয়ার করছি কমিশনের সঙ্গে। তাঁরাও দেখে নিয়ে নিজেদের মত দিক।” অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী ডি এস নাইডু বলেন, “আমরা ইতিমধ্যেই আমাদের ইনস্ট্রাকশন নিয়েছি।” অন্যদিকে রাজ্যের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর সওয়ালে আদালতের কাছে আবেদন জানান, “এখনও পর্যন্ত অ্যাডজুডিকেশনের তালিকা হাতে আসেনি। অন্তত একটা সফট কপি দেওয়া হোক।” তাতেও অবশ্য সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, “আপনারা এ নিয়ে প্রধান বিচারপতির কাছে দেখা করতে পারেন।”
