সর্বোচ্চ আদালতে দীর্ঘ শুনানি শেষে অ্যাডজুডিকেশনের তালিকায় থাকা ভোটারদের ক্ষীণ হলেও আশা জিইয়ে রইল। যদিও ট্রাইব্যুনালের কাজে কোনও সময় বেঁধে দিতে চায়নি সুপ্রিম কোর্ট। ফলে নতুন করে নাম যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা ভোটার তালিকা ফ্রিজ হয়ে যাওয়ার পর ক্ষীণ। আগামী ১৩ এপ্রিল বিকেল ৩টেয় পরবর্তী শুনানি।
আরও পড়ুন: মাসিক বেতন ৫০,৫০০! BSNL-এ স্বপ্নের চাকরির সুযোগ, কারা আবেদন করবেন? কীভাবে? রইল বিশদে
advertisement
এদিন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘ট্রাইব্যুনাল নতুন নথি দেখতে পারেন। কেউ যদি মাধ্যমিকের সার্টিফিকেট জমা দেন এবং তা দেখা না হয়, তা হলে আপিল ট্রাইব্যুনাল সেটি যাচাই করে দেখতে পারে। আমরা বিষয়টি আপিল ট্রাইব্যুনালগুলির উপরই ছেড়ে দিচ্ছি।’ বিচারপতি জয়মাল্য বাগচির পর্যবেক্ষণ, ‘আমরা আপনার উদ্বেগ সম্পর্কে সচেতন। আমরা আগেই বলেছি, যে আপিল ট্রাইব্যুনালগুলি এই বিষয়টি দেখবে, যাতে সাংবিধানিক অধিকার বজায় থাকে।’
ভোটের ঠিক আগে একদিকে দ্রুত এগোচ্ছে সংশোধন প্রক্রিয়া, অন্যদিকে বাড়ছে উদ্বেগ। সোমবার সুপ্রিম কোর্টে এসআইআর মামলার শুনানিতে জানানো হয়, ইতিমধ্যেই ৫৯ লক্ষের বেশি বিবেচনাধীন ভোটারের নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছে। কিন্তু একই সঙ্গে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য– ৬০ লক্ষ মামলার মধ্যে এখনও বড় অংশে নাম বাদ পড়ার অভিযোগ, আর ট্রাইব্যুনাল গঠনের বিলম্বে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি চরমে।
আরও বড় সমস্যা ট্রাইব্যুনাল নিয়ে। বহু জায়গায় এখনও ট্রাইব্যুনাল গঠন হয়নি, ফলে যাঁদের নাম বাদ পড়েছে, তাঁদের সামনে কার্যত অনিশ্চয়তা। আদালত অবশ্য স্পষ্ট করেছে, নাম বাদ সংক্রান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে ট্রাইব্যুনালের উপরেই ভরসা রাখা হচ্ছে। এমনকী প্রয়োজন হলে মাধ্যমিক পরীক্ষার নথিও যাচাই করা যেতে পারে বলে পর্যবেক্ষণ করেছে আদালত। প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘কমিশন সোমবার রাতেই পুরো তালিকা প্রকাশ করতে পারবে। শুধুমাত্র ডিজিটাল সিগনেচার আপলোড করার জন্য পোর্টাল ৭ এপ্রিল পর্যন্ত খোলা থাকবে। কমিশনকে নন্দলাল বসুর নাতি-নাতনির করা আপিলে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করতে হবে।’
মৈত্রেয়ী ভট্টাচার্য
