সুপ্রিম কোর্ট আরও জানিয়েছে, ১৪ ফেব্রুয়ারির পরে আরও এক সপ্তাহ সময় দেওয়া হবে ইআরও-দের। যাতে তাঁরা নথি যাচাই সম্পূর্ণ করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেন, সেই কারণেই সময় দেওয়া হবে বলে জানাচ্ছে আদালত। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ, কমিশন প্রয়োজনে ইআরও এবং এইআরও-দের পরিবর্তন করতে পারবে। যোগ্য মনে হলে বর্তমান অফিসারদের ব্যবহারও করতে পারবে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন ইআরও-রাই। মাইক্রো অবজার্ভার এবং এই অফিসারেরা শুধুমাত্র সাহায্য করবেন। রাজ্যের দেওয়া অফিসারদের দু’দিনের প্রশিক্ষণ দেওয়া যাবে বলেও জানিয়েছে কমিশন।
advertisement
গত শুনানিতে মাইক্রো অবজ়ার্ভারদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল আদালতে। কমিশন জানিয়েছিল, রাজ্য কর্মী না দেওয়ায় মাইক্রো অবজার্ভার নিয়োগ করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আইনজীবীদের সঙ্গে আদালতে হাজির ছিলেন। তিনি জানিয়েছেন, প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মী দেওয়া হবে। সেই মতো কর্মী দেওয়ার কথা জানায় রাজ্য। সোমবার সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দেয়, রাজ্য নিশ্চিত করবে ৮,৫০৫ জনই গ্রুপ-বি অফিসার। মঙ্গলবার বিকেল ৫টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট ডিইও বা ইআরও-র কাছে তাঁদের রিপোর্ট করতে হবে। এবং, দায়িত্ব গ্রহণ করতে হবে।
এদিকে, সুপ্রিম কোর্টে মুখ্যমন্ত্রীর সওয়াল নিয়ে একটি আবেদন করা হয়েছিল। ওই আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতি বলেন, “এতে অস্বাভাবিক কী আছে? এটাই তো সংবিধানের প্রতি আস্থা ও বিশ্বাসের প্রকাশ। এই বিষয়টিকে রাজনীতিকরণ করবেন না।”
