আইনজীবী শ্যাম দিওয়ান পাল্টা বলেন, নাম বিস্তারিত ভাবে দেওয়া হয়েছে। আমরা জেলা ভিত্তিক নাম দিয়েছি। এবং জানিয়েছি দ্রুত জানানো হোক। প্রধান বিচারপতি এরপর বলেন, আমরা ফ্যাক্টের উপর কোনও ডিসপুট চাই না। তাহলে আমাদের মুখ্য সচিবের হলফনামা দাবি করতে হবে।
দিওয়ান আরও বলেন, আমরা অবিলম্বে নির্দেশ দিয়ে দেব এই আধিকারিকদের ডেপ্লয় করার জন্য। কারণ কোনওভাবেই এত মানুষ, যাঁরা আগেই ম্যাপড ছিলেন তাঁদের নাম বাদ দিতে দেওয়া যায় না। কমিশনের আইনজীবী নাইডু বলেন, তাঁরা কী ধরনের কাজ করেন এই ৮৫০৫ জন আধিকারিক। বিচারপতি বাগচি বলেন, আপনারা তালিকা দেখুন এখানে নামের পাশে রয়েছে। প্রধান বিচারপতি বলেন, আপনারা এখন ইআরও এবং এইআরওদের নাম দিয়েছেন। সিনিয়র এবং জুনিয়রের বিষয়টা আসবে।
advertisement
কমিশনের তরফে আইনজীবী বলেন, আমরা এই পুল থেকে ইআরও এবং এইআরওদের রিপ্লেস করতে পারি। যদি মনে হয় কেউ কাজ করতে পারছেন না। দিওয়ান বলেন, এইআরওদের বদল করা হলে আমাদের কোনও আপত্তি নেই। কিন্তু আমাদের আপত্তি রয়েছে মাইক্রো অবজারভারদের নিয়ে।
প্রধান বিচারপতি বলেন, আপনারা ইআরও এবং এইআরওদের বদল করে নিতে পারেন এই পুল থেকে। এবার মাইক্রো অবজার্ভারদের বিষয়টিকে দেখা যাক। তাঁরা তো সহযোগিতা করার জন্য আছেন। কমিশনের তরফে বলা হয়, আমরা বলছি মাইক্রো অবজারভাররা শুধুমাত্র অবজারভ করবেন। কমিশন জানায়, এই এইআরওদের ১০ দিনের ট্রেনিং দরকার। শুনানি শেষ। ১৪ লাখ ছাড়া সব শুনানি শেষ। এখন নথি স্ক্রুটিনি চলছে। সিজেআই বলেন, এখন তো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। কমিশন জানায়, এক বা দুদিনের মধ্যে হবে।
প্রধান বিচারপতি বলেন, এই কর্মীদেরও যোগ দিতে দিন। এবং তাঁদেরও নথি দেখতে দিন। যত বেশি লোক হবে, তত ভালো স্ক্রুটিনি হবে। সেটা কনসিটারেবল হবে আপনাদের জন্য। কমিশন জানায়, আমরা একটি সফটওয়্যার ব্যবহার করেছি। বিচারপতি বাগচি বলেন, হতে পারে একটি ওয়াইডার নেট রয়েছে, যার জন্য নোটিস যাচ্ছে। কমিশন জানায়, এই আধিকারিকদের ট্রেনিং দিতে হবে।
প্রধান বিচারপতি বলেন, আপনারা তো বাইরে থেকে আসা মাইক্রো অবজার্ভারদেরও ট্রেনিং দিয়েছেন। কমিশন জানায়, একজন আনট্রেইনড প্রফেসরের থেকে ট্রেইনড ক্লার্ক বেশি কাজ করা যাবে। আমরা নিয়ে দেখব, স্ক্রুটিনাইজ করে দেখব তাঁরা পারবেন কিনা। রাজ্যের আইনজীবী দিওয়ান বলেন, ১৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে। আমরা কোনও অনৈতিক এক্সক্লুশন চাই না। দিওয়ান আরও বলেন, মাইক্রো অবজারভারদের নির্বাচনের সময় ভূমিকা রয়েছে। নির্বাচনী ম্যানুয়ালে তাঁদের ভূমিকা উল্লেখ করা আছে।
প্রধান বিচারপতি বলেন, মাইক্রো অবজারভারদের তো এসআইআরে নিযুক্ত করা হয়েছে। দিওয়ান বলেন, কারণ মাইক্রো অবজারভারদের কোনও স্ট্যাচুয়েটরি ক্ষমতা নেই। প্রধান বিচারপতি বলেন, তাঁরা তো কোনও মত দেবে না। কমিশন জানায়, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে ইআরও। এদের বলুন আগে যথোপযুক্ত আধিকারিকদের দিতে। আমরা স্ট্যাচুয়েটরি ক্ষমতা বলে দেব।
দিওয়ান পাল্টা বলেন, আমাদের আশঙ্কা, ইআরও এবং এইআরওদের সম্মতির পরও মাইক্রো অবজারভারদের উপর সব ছাড়া হচ্ছে। কমিশন জানায়, ইআরওরাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। নন ইস্যুকে ইস্যু করা হচ্ছে। আমরা পাঁচটা চিঠি দিয়েছি, কম্পিটেন্ট অথরিটি দেওয়া হোক। প্রধান বিচারপতি বলেন, আমরা কমিশনের কাজে হস্তক্ষেপ করতে পারি না। প্রধান বিচারপতি বলেন, অনগোয়িং এসআইআর প্রসেস স্মুথ করার জন্য আমরা অতিরিক্ত ইন্টেরিম ডিরেকশন দিচ্ছি। রাজ্য সরকারকে নিশ্চিত করতে হবে ৮৫০৫ জন অফিসার ডিস্ট্রিক্ট ইলেকটোরাল অফিসারের কাছে আগামীকাল বিকেল ৫টার মধ্যে যোগ দেবেন। ইলেকশন কমিশন রিপ্লেস করবে ইআরও/এইআরওদের এবং এই অধিকারিকদের মধ্যে ব্যবহার করবে। তাঁদের কোয়ালিফিকেশন দেখে সুইটেবল দেখে।
