নৃশংস ঘটনাটি ঘটেছে ছত্তিশগড়ের অম্বিকাপুর এলাকার সুরগুজা জেলায়। অভিযুক্তর নাম প্রভাত কেরকেট্টা। পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে। জেরায় সে স্বীকার করে নেয়, ‘রাগের মাথায় বাবাকে খুন করে ফেলেছে।’ পুলিশ জানিয়েছে, অম্বিকাপুরের বাসিন্দা পরশ কেরকেট্টার সঙ্গে বছর পঁচিশের ছেলে প্রভাতের সম্পর্ক একেবারেই ভাল ছিল না। তাঁরা একসঙ্গে থাকতও না। প্রভাতের বাবা পরশ কেরকেট্টা বেহেরাপাড়ায় একাই একটি বাড়িতে থাকতেন। প্রভাত থাকত ভাড়া বাড়িতে। সোমবার রাত ১১ টা নাগাদ প্রভাত মদ্যপ অবস্থায় বাবার বাড়ি যায়। পুলিশ জানিয়েছে, ছেলের মদ্যপানের অভ্যাসে বিরক্ত ছিলেন বাবা। দু’জনের মধ্যে প্রবল বাকবিতণ্ডা হয়। শুরু হয় উত্তপ্ত বচসা। পুলিশের দাবি, অশান্তির সময় রাগে কুড়ুল দিয়ে বাবাকে এলোপাথাড়ি আঘাত করে প্রভাত। এর পর তাঁর মৃতদেহ জলের ট্যাঙ্কে ফেলে সে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়। সোজা যায় বিরিয়ানির দোকানে। পেটপুড়ে বিরিয়ানি খায়। তার পর বাড়ি ফিরে নিশ্চিন্তে ঘুমিয়েও পড়ে!
advertisement
সোমবার রাতে বাবা-ছেলের অশান্তির আঁচ পেয়েছিলেন প্রতিবেশীরা। পরদিন সকালে পরশকে বাড়ি থেকে বার হতে না দেখে তাঁদের সন্দেহ আরও গাঢ় হয়। তারাই খবর দেয় পুলিশে। পুলিশ বাড়ির জলের ট্যাঙ্কের ভিতর থেকে উদ্ধার করে বছর ৫০-এর পরশ কেরকেট্টার দেহ! ঘটনাস্থলে আসে ফরেনসিক দল। গ্রেফতার করা হয়েছে অভিযুক্তকে।
