দেশের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত এবং জয়মাল্য বাগচির বেঞ্চ এই মামলা প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে জানায় যেভাবে অভিযোগকারী বাবা-মায়েদের অসম্মান করা হয়েছে তা নিন্দনীয়।
একইসঙ্গে দেশের সর্বোচ্চ ন্যায়ালয় ওই শিশুর বাবা-মায়ের পিটিশনের আর্জি শোনেন। সেখানেই জানানো হয়, গুরুগ্রাম পুলিশ এই বিষয়ে কোনও ব্যবস্থাই নেয়নি।
এই প্রসঙ্গে প্রধান বিচারপতির সরাসরি প্রশ্ন, “পুলিশ কেন নির্যাতিত শিশুটির বাড়ি গেল না? তাঁরা কি রাজা?”
advertisement
একইসঙ্গে দেশের সর্বোচ্চ আদালত আরও প্রশ্ন করে, কেন দোষীদের পসকো(প্রিভেনশন অফ চাইল্ড ফ্রম সেক্সুয়াল অফেন্স অ্যাক্ট)-এর ৬-এর বদলে ১০ নম্বর ধারায় মামলা রুজু করা হয়। এখানেই আপত্তি জানায় আদালত। আদালত বলে, যেখানে ৬ নম্বর ধারায় ২০ বছরের সাজা ঘোষণা হওয়ার কথা সেখানে কিভাবে ১০ নম্বর ধারায় অপেক্ষাকৃত কম অর্থাৎ ১০ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে সেই ধারায় মামলা রুজু হল?
এই প্রসঙ্গে হরিয়ানার পক্ষ থেকে অ্যাডিশনাল সলিসিটর জেনারেল ঐশ্বর্য ভাটি জানান, শিশু কল্যাণ কমিটির রিপোর্টের উপর ভিত্তি করেই এই ধারায় মামলা করা হয়েছে।
শিশুর নাম জনসমক্ষে আনা নিয়েও ক্ষুব্ধ হন বিচারপতির বেঞ্চ। এই প্রসঙ্গে প্রধানবিচারপতি বলেন, “আমরা বারংবার বলে যাই কোনওভাবেই নির্যাতিতার নাম সামনে আনা যাবে না। তারপরেও এই ভুল কীভাবে হয়!”
