জানা গিয়েছে, কানপুরের কর্নেলগঞ্জের ইদগাহ কবরস্থানে এই বিরল প্রজাতির শকুনটি ছিল। প্রায় এক সপ্তাহ ধরে সেখান ঘুরছিল শকুনটি। এর ডানার দৈর্ঘ্য ৬ ফুট। তবে এই এলাকায় বেশিদিন ঘুরলে শকুনটির ক্ষতি হতে পারত। সেই আশঙ্কায় স্থানীয় বাসিন্দা সফিক-সহ আরও বেশ কয়েকজন শকুনটি ধরেন। পরে এটি বন দফতরের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
advertisement
বিরল প্রজাতির এই পাখিকে হিমালয়ান গ্রিফন শকুন বলা হয়। তিব্বতেও এই শকুনের দেখা মেলে। এই শকুন বেশির ভাগ পাহাড়ি এলাকায় বিশেষ করে পাকিস্তান, উজবেকিস্তান, তাজিকিস্তান, ইরান, কাজাখস্তান, নেপাল, ভুটান এবং তিব্বত পর্যন্ত ১২০০ থেকে ৫, ৫০০ মিটার উচ্চতায় দেখা যায়। ন্যাশনাল জিওগ্রাফির তথ্য অনুযায়ী, ১৯৯০ সালের পরে দেশে শকুনের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে কমেছে। কিন্তু তার মধ্যে আচমকা কানপুরে এই শকুনের দেখা মেলায় হতবাক সকলে।
আরও পড়ুন, সংসদ ভবন, সুপ্রিম কোর্টে ঢুকে প্রাক্তন প্রেসিডেন্টের সমর্থকদের তাণ্ডব, অশান্ত ব্রাজিল
আরও পড়ুন, সামান্য তাপমাত্রা বৃদ্ধি! বৃহস্পতিবার থেকে ফের ধাঁইধাঁই করে ঠান্ডার দ্বিতীয় ইনিংস
সাধারণত যে সব শকুন ভারতে দেখা যায়, তার থেকে হিমালয়ান শকুন আকারে এবং আয়তনে বিরাট বড় হয়। ভারতে এই শকুনের দেখা খুবই কম পেলে। কোথা থেকে এই শকুন আচমকা কানপুরে এল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। শকুনটিকে আপাতত বন দফতরের কাছে দিয়ে দেওয়া হয়েছে।
