এই মুহূর্তে তৃণমূলের বিধায়ক সংখ্যা সরাসরি ২১৯ জন। এছাড়া,আছে দল বদলু ৬ বিধায়ক। নির্দল বিধায়ক হিসাবে আছে কালিম্পংয়ের বিধায়ক। নির্বাচনে চার দলীয় প্রার্থীকে জেতাতে তৃণমূলের মোট ১৯৬ জন বিধায়কের সমর্থন প্রয়োজন। চারজন প্রার্থীর জয় নিশ্চিত করেও তৃণমূলের হাতে থাকছে আরও (২৩+৬) জন বিধায়কের ভোট। বিজেপির বিধায়কের সংখ্যা থাকছে ৬৪। এক প্রার্থীকে জেতানোর পরেও তাদের হাতে থাকবে ১৫ জন বিধায়ক।
advertisement
আরও পড়ুন: তৈরি হবে ১০০০০-এরও বেশি বার্থ! পূর্ব রেলপথে ডানকুনি ও পটনার মধ্যে স্পেশাল ট্রেন
আগামী ১৬ মার্চ রাজ্যসভা নির্বাচন। দেশের ১০টি রাজ্যের মোট ৩৭টি রাজ্যসভা আসনে ভোট হবে। তার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের পাঁচটি আসনও রয়েছে। বিধায়কদের সংখ্যার নিরিখে চারটি আসনে তৃণমূল এবং একটিতে বিজেপির জয় নিশ্চিত। আগামী বৃহস্পতিবার ভোটের বিজ্ঞপ্তি জারি করবে নির্বাচন কমিশন। ওই দিন থেকেই যাবতীয় পদক্ষেপ শুরু করবে দুই যুযুধান শিবির।
পশ্চিমবঙ্গের পাঁচ রাজ্যসভা আসনে যদি পাঁচ জন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দেন, সে ক্ষেত্রে ভোট হবে না। ৬ মার্চ স্ক্রুটিনি পর্বের পরেই জয়ী প্রার্থীদের শংসাপত্র দেবেন রিটার্নিং অফিসার তথা বিধানসভার সচিব। কিন্তু একটি অতিরিক্ত মনোনয়ন জমা পড়লে ১৬ মার্চ রাজ্যসভার ভোট হবে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায়।
রাজ্যসভা নির্বাচনের দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের হলেও, এ ক্ষেত্রে ভোটপর্ব অনুষ্ঠিত হয় সংশ্লিষ্ট রাজ্যের বিধানসভায়। তাই রাজ্যসভা নির্বাচনের ক্ষেত্রে বড় দায়িত্ব পালন করতে হয় সংশ্লিষ্ট রাজ্যের বিধানসভা কর্তৃপক্ষ বা তথা সচিবালয়কে। এই কারণে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই বিধানসভায় রাজ্যসভা নির্বাচন কী ভাবে হবে সেই নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে আধিকারিকদের মধ্যে।
২৬ ফেব্রুয়ারি রাজ্যসভার ৩৭টি আসনে নির্বাচনের জন্য ভোটের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন আগামী ৫ মার্চ। মনোনয়নপত্র স্ক্রুটিনি করা হবে ৬ মার্চ। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন ৯ মার্চ।
