জানা গিয়েছে, ৩৫ বছর বয়সি ওই মহিলার নাম নানকাই, তিনি বাউন্ডি থানার অধীনে নান্দওয়াল গ্রামের বাসিন্দা। নিজের পেট কেটে ফেলার পরে প্রতিবেশীরা চিৎকার শুনে তাকে ফাখারপুর কমিউনিটি হেলথ সেন্টারে নিয়ে যান।
ওই কেন্দ্রে তিনি স্বাভাবিকভাবে একটি সুস্থ কন্যা শিশুর জন্ম দিয়েছেন, কিন্তু পরে তার শারীরিক অবস্থা খারাপ হয় বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এরপর নানকাইকে জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়, সেখানে ডাক্তাররা তার পেটে গভীর ক্ষত দেখতে পান। পরে জিজ্ঞাসাবাদের পরে জানা যায়, ধারালো ছুরি দিয়ে ওই ক্ষত তৈরি হয়েছে।
advertisement
হাসপাতালের প্রধান মেডিক্যাল সুপারিনটেনডেন্ট সাংবাদিকদের বলেন, “বৃহস্পতিবার বিকেল ৩.২০ মিনিটে তাকে হাসপাতালে আনা হয়। তার অন্ত্র বেরিয়ে এসেছিল এবং প্রচুর রক্তপাত হচ্ছিল।” তার আঘাত গুরুতর হওয়ায় লখনউয়ের হাসপাতালে পাঠানো হয়।
আরও পড়ছি: রাজ্যে বিধানসভা ভোটের আগে বিজেপিতে যোগ দিলেন চার নেতা! রয়েছেন ক্ষিতি গোস্বামীর কন্যাও
একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে ওই মহিলাকে স্ট্রেচারে দেখা যাচ্ছে এবং তিনি নাকি বলছেন, তীব্র যন্ত্রণার কারণে তিনি নিজের পেট কেটেছেন, এমনটাই জানিয়েছে পুলিশ। প্রতিবেশীদের মতে, নানকাই-এর স্বামী প্রায় ছয় মাস আগে অসুস্থ হয়ে মারা যান, ফলে তিনি একা থাকেন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে যখন তার প্রসব শুরু হয়, তখন যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে তিনি নাকি সব্জি কাটার ছুরি দিয়ে নিজের পেট কেটে ফেলেন। এরপর এলাকাবাসীদের সাহায্যে ওই মহিলাকে স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়, সেখানে তিনি সন্তানের জন্ম দেন।
