স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, স্থানীয় বাসিন্দা আদিল একজন মহিলা পর্যটককে ওই জঙ্গিদের হাত থেকে বাঁচানোর চেষ্টা করেছিলেন৷ এমন কি, জঙ্গিদের হাত থেকে আগ্নেয়াস্ত্রও ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন ওই তরুণ৷ তখনই তাঁকে গুলি করা হয়৷
পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী ছিলেন আদিল৷ জঙ্গি হামলায় মৃত মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ একমাত্র আদিলই৷ সংবাদসংস্থা এএনআই-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আদিলের বাবা জানিয়েছেন, ‘আমার ছেলে পহলগাঁওয়ে কাজ করতে গিয়েছিল৷ বিকেল তিনটে নাগাদ আমরা হামলার খবর পাই৷ আমরা আদিলকে ফোনও করি, কিন্তু ফোন সুইচ অফ ছিল৷’
advertisement
আদিলের বাবা জানান, ‘বিকেল ৪.৪০ নাগাদ আদিলের ফোন ফের চালু হয়৷ কিন্তু কেউ উত্তর দেয়নি৷ আমরা তখন থানায় গিয়ে জানতে পারি আদিল আহত হয়েছে৷ এই ঘটনার পিছনে যারাই থাকুক না কেন, তারা যেন শাস্তি পায়৷’ পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আদিলের মৃত্যু হয়৷
কান্নায় ভেঙে পড়ে আদিলের মা বলেন, ‘আমাদের সংসারের একমাত্র উপার্জনকারী ছিল ও৷’
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, জঙ্গি হামলার পর স্থানীয় বাসিন্দারাই আহত, রক্তাক্ত পর্যটকদের দুর্গম পথ পেরিয়ে ঘোড়া, খচ্চরের পিঠে চাপিয়ে নীচে নামিয়ে আনার চেষ্টা করেন৷ পরে সেখানে পৌঁছয় পুলিশ এবং নিরাপত্তাবাহিনীর উদ্ধারকারী দল৷
