তিনি বলেন, “গত চার দশক ধরে ভারতের মানুষ কংগ্রেসকে শিক্ষা দিয়ে আসছে। সংবাদমাধ্যম যদি বিশ্লেষণ করে, তাহলে বুঝতে পারবে যে এখানে কোনও ‘ভোট চুরি’ হয়নি। বরং দেশের মানুষ তাদের ক্ষমতায় বসানোর যোগ্য মনে করছে না। এই প্রবণতা ১৯৮৪ সালের পর থেকেই শুরু হয়েছে। ১৯৮৪ সালে কংগ্রেস ৩৯ শতাংশ ভোট এবং ৪০০-র বেশি আসন পেয়েছিল। কিন্তু তার পরের নির্বাচনে তাদের ভোটের হার ক্রমাগত কমেছে। আর আজ পরিস্থিতি এমন যে, তারা মাত্র চারটি রাজ্যে ৫০- এর বেশি নির্বাচিত প্রতিনিধি নিয়ে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে।”
advertisement
প্রধানমন্ত্রীর ভাষায়, “গত ৪০ বছরে তরুণ ভোটারদের অংশীদারিত্ব ক্রমাগত বেড়েছে, আর কংগ্রেস ক্রমশ ভরাডুবির মুখে পড়েছে। কংগ্রেস এখন স্বজনপোষণের একটি ক্লাবে পরিণত হয়েছে। সেই কারণেই আগে মিলেনিয়াল প্রজন্ম এবং এখন জেন-জি প্রজন্ম দলটিকে শিক্ষা দিচ্ছে।”
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “গণতন্ত্রে বিরোধী দলের ভূমিকা শুধু অন্ধ বিরোধিতা করা নয়, বরং একটি বিকল্প দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরা।” প্রধানমন্ত্রী এআই সামিটে কংগ্রেসের প্রতিবাদ নিয়েও তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, এটি যখন “সমগ্র দেশের জন্য গর্বের মুহূর্ত”, তখন দুর্ভাগ্যজনকভাবে দেশের প্রাচীনতম দলটি এই জাতীয় উদযাপনকে কলঙ্কিত করার চেষ্টা করেছে।
তিনি আরও বলেন, “ ব্যর্থতার হতাশা ও নিরাশা যখন মনকে আচ্ছন্ন করে এবং অহংকার মাথায় চড়ে বসে, তখন দেশের বদনাম করার এমন মানসিকতা তৈরি হয়।”
