কাজলের ভাইয়ের অভিযোগ, বিয়ের পর পরই অরুণ তুচ্ছ বিষয়ে তাঁর স্ত্রীকে শারীরিকভাবে মারধর করতে শুরু করে। তিনি আরও বলেন, টাকার দাবিতে তাঁকে চাপ দেওয়া হতো এবং যৌতুক নিয়ে হয়রানি করা হতো। হোলির দিন, ৪ মার্চ, এই দম্পতি গুরগাঁওয়ে গড়ি হরসারুতে কাজলের পরিবারের সঙ্গে থাকতে আসে। প্রায় দুই সপ্তাহ পর, ১৭ মার্চ, অরুণ মদ্যপ অবস্থায় কাজলকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন বলে অভিযোগ।
advertisement
পরিজনরা জানিয়েছেন পর দিন সকালে, অরুণ কাজলকে কথা বলার জন্য নীচে নিয়ে গেল, এবং নবদম্পতিদের মধ্যে তর্ক শুরু হয়ে যায়। এর কিছুক্ষণ পরই, কাজলকে অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায়৷ তাঁর নাক দিয়ে সে সময় রক্ত ঝরছিল। পরিবার যখন কাজলকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যায়, তত ক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গিয়েছিল৷ চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
কাজলের পরিবার টয়লেটে একটি সিরিঞ্জ পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি করেছেন৷ তাঁদের সন্দেহ ছিল যে অরুণই তাঁকে ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে বিষ প্রয়োগ করেছেন। পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে অরুণ কাজলকে বিষাক্ত ইঞ্জেকশন দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন৷ বিষপ্রয়োগেই তাঁর মৃত্যু হয়। পুলিশ উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদের বেহতা হাজিপুরের বাসিন্দা অরুণকে গ্রেফতার করেছে। অভিযুক্তের মাদকাসক্তির ইতিহাস রয়েছে বলে অভিযোগ।
“অরুণকে একটি রেলস্টেশন থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং সে তিন দিন পুলিশি হেফাজতে থাকবে,” বলেছেন গুরুগ্রামের সেক্টর ১০ থানার স্টেশন হাউস অফিসার (এসএইচও) কুলদীপ সিং। ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক জানিয়েছেন যে ভিসেরা রিপোর্টের পর মৃত্যুর কারণ নির্ধারণ করা হবে।
