এই প্রসঙ্গে মঙ্গলবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ করেন তৃণমূল নেত্রী। তাঁর অভিযোগ নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ নয়। তিনি বলেন, “ইলেকশন কমিশনের নোটিফিকেশনে বিজেপির সিম্বল। এরা কার কথায় চলছে? নন্দীগ্রামের বিডিও চলে আসছে ভবানীপুর, গদ্দারের নিজের লোক বলে। এবার ঝুলি থেকে বিড়াল বেড়িয়ে পড়েছে”।
advertisement
ওই চিঠি ২০১৯ সালের ১৯ মার্চের ওই চিঠিটি মুখ্য নির্বাচন কমিশনের দফতর থেকে বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের পাঠানো হয়েছিল। এদিন তৃণমূলের তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়ায় ওই চিঠির ছবি পোস্ট করে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত নির্বাচন প্যানেলে দেশের প্রধান বিচারপতির না থাকা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন৷
অভিষেক বলেন, ‘‘ঠিক এই কারণেই বিচারিক কর্তৃত্বকে দুর্বল করা হয়েছে এবং ভারতের প্রধান বিচারপতিকে সিইসি (CEC) নির্বাচন প্যানেল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। যদি এই ধারা অব্যাহত থাকে, তবে সুপ্রিম কোর্টের রায়গুলোতে রাজনৈতিক ছাপ স্পষ্ট হয়ে উঠতে খুব বেশি সময় লাগবে না।
যারা সংবিধান রক্ষার শপথ নিয়েছেন, তাঁরাই এখন সংকীর্ণ রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করতে সংবিধানের মূল ভিত্তিকেই ক্ষুণ্ণ করছেন। এ একাধারে কর্তব্য ও গণতন্ত্র—উভয়েরই সঙ্গেই চরম বিশ্বাসঘাতকতা। আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর জন্য এ এক অত্যন্ত উদ্বেগজনক অধঃপতন!’’
