মোদির কথায়, ”এমন নির্মম সরকারের কারণে ওখানকার মানুষের ভবিষ্যৎ অন্ধকারে ডুবে যাচ্ছে। কিন্তু ওঁদের কোনও ভ্রুক্ষেপ নেই। ক্ষমতার সুখ ছাড়া আর কিছু ভাবে না তৃণমূল।” প্রসঙ্গত, বুধবারই সুপ্রিম কোর্টে এসআইআর মামলায় সওয়াল করেছেন খোদ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই প্রসঙ্গে মোদির মন্তব্য, ”অনুপ্রবেশকারীদের বাঁচানোর জন্য আদালতের ওপর প্রেশার তৈরি করা হচ্ছে।” রাজ্যসভায় দাঁড়িয়ে মোদি বলেন, ”আপনি (পড়ুন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) আদালতে এসেছেন অনুপ্রবেশকারীদের বাঁচাতে, যারা আপনার নিজের রাজ্যের মানুষের অধিকার ছিনিয়ে নিচ্ছে।”
advertisement
প্রধানমন্ত্রীর কথায়, ”দেশের যুবরা কীভাবে ওঁদের ক্ষমা করবে যাঁরা অনুপ্রবেশকারীদের বাঁচানোর জন্য নিজের সর্বশক্তি লাগাচ্ছে? যাঁরা দেশের যুবদের ভবিষ্যত ছিনিয়ে নিচ্ছে। আদিবাসীদের জমি ছিনিয়ে নিচ্ছে। মহিলাদের সুরক্ষার কথা না ভেবে আমাদের উপদেশ দিতে এসেছেন এখানে?”
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার রাজ্যের অন্তর্বর্তী বাজেট পেশের পর সাংবাদিক সম্মেলনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখেও শোনা যায় অনুপ্রবেশ ইস্যু। সেখানে তিনি অবশ্য বিজেপিকেই তুলোধনা করেছেন। মমতা এদিন বলেন, ”অনুপ্রবেশকারী শব্দটি কথা থেকে এসেছে? যারা ১৮ বছর বয়স তারা ভোটেধিকার পাবেন না? আপনারা বলছেন ৭০ পার্সেন্ট বেড়েছে। ম্যাজিশিয়ান নাকি? কী করে পেল জানি না। বাংলা ভাষায় কথা বললে অত্যাচার করা হচ্ছে অন্যান্য রাজ্যে, তখন আপনারা কোথায় ছিলেন? এখন এসআইআর চলছে, মানুষের পাশে থাকতে হয়। আপনারা বড় বড় কথা বলছেন বর্ডার নিয়ে। আগে বাইরে থেকে কেউ আসলে কাস্টমস, এভিয়েশন তারা তাদের ডিটেলস পুলিশকে শেয়ার করত, আমরা ব্যাবস্থা নিতাম। আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বারবার বলেছি। তবুও দেয়নি।”
