প্রধানমন্ত্রী জানান, পশ্চিম এশিয়ার চলমান সংঘাতের প্রভাব ইতিমধ্যেই বৈশ্বিক বাণিজ্য ও সরবরাহ ব্যবস্থায় পড়ছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালীর মতো গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
তিনি বলেন, ভারতের প্রয়োজনীয় কাঁচা তেল, গ্যাস এবং সারের একটি বড় অংশ এই পথ দিয়েই আসে। বর্তমান পরিস্থিতিতে জাহাজ চলাচল কঠিন হয়ে পড়লেও সরকার পরিস্থিতি সামাল দিতে নিরন্তর কাজ করছে। পেট্রোল, ডিজেল ও গ্যাসের সরবরাহ যাতে ব্যাহত না হয়, সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে।
advertisement
প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, ভারত তার এলপিজির প্রায় ৬০ শতাংশ আমদানি করে। তাই সরবরাহে অনিশ্চয়তা দেখা দিলে দেশীয় চাহিদাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে এবং উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি সাধারণ মানুষের উপর প্রভাব কমাতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
আরও পড়ুনঃ মার্কিন-ইরান আলোচনার দাবি ভুয়ো? তেহরানের সাফ জবাব! পাল্টা চ্যালেঞ্জ ট্রাম্পকে!
মোদী বলেন, সরকার পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছে এবং পেট্রোলিয়াম, বাণিজ্য, বিদ্যুৎ ও সরবরাহ ব্যবস্থা—সব ক্ষেত্রেই সমন্বিত পরিকল্পনা করা হয়েছে। কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমেও ভারতীয় জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে। তিনি আশ্বাস দেন, এই সংকটের প্রভাব যাতে দেশের অর্থনীতি ও সাধারণ মানুষের জীবনে কম পড়ে, সে জন্য সরকার সবদিক থেকে প্রস্তুত।
