এই প্রকল্পের মোট দৈর্ঘ্য ৭৮.৪২ কিলোমিটার, যা অসমের কার্বিআংলং জেলা এবং নাগাল্যান্ডের চুমুকেদিমা ও কোহিমা জেলাকে অন্তর্ভুক্ত করবে। এতে আটটি স্টেশন রয়েছে -ধনসিরি, ধনসিরিপার, শোখুভি, মলভোম, ফেরিমা, পিপেমা, মেঙ্গুজুমা এবং জুবুজা, যার মধ্যে ধনসিরি, শোখুভি এবং মলভোমের কাজ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। এই রেলপথে জটিল প্রকৌশলগত কাজ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে মোট ৩১,১৬৯মিটার দৈর্ঘ্যের ২০টি টানেল এবং ১৪৯টি মাইনর ব্রিজের পাশাপাশি ২৭টি মেজর এবং এই পরিকাঠামোগুলোর একটি উল্লেখযোগ্য অংশের নির্মাণকাজ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন করা হয়েছে।
advertisement
আরও পড়ুন: SIR নিয়ে লিখলেন ২৬টি কবিতা, বইমেলায় কবিতার বইপ্রকাশ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের
এই প্রকল্পটির দুটি অংশ পর্যায়ক্রমে চালু করা হয়েছে — ধনসিরি-শোখুভি অংশটি (১৬.৫ কিমি) ২০২১-র অক্টোবরে এবং শোখুভি -মলভমঅংশটি (১৪.৬৪ কিমি) ২০২৫-এর মার্চ মাসে। বর্তমানে শোখুভি থেকেনিয়মিত ট্রেন পরিষেবা চালু করা হয়েছে, যা অসমের গুয়াহাটি এবং অরুণাচল প্রদেশের নাহরলগুনের সাথে সংযুক্ত করছে এবং যাত্রীদের জন্যআরও সুগম, নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য ভ্রমণের সুযোগ করে দিচ্ছে। মলভম স্টেশনটি চালু হওয়ার মাধ্যমে এটি নাগাল্যান্ডের তৃতীয় প্রধান রেল স্টেশনে পরিণত হয়েছে এবং এখানে সেপ্টেম্বর ২০২৫ থেকে পণ্য সামগ্রী পরিবহনকার্যক্রমও শুরু করা হয়েছে।
আশা করা হচ্ছে, নতুন রেল সংযোগটি শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, কর্মসংস্থানএবং বাজারে প্রবেশাধিকারের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হবে, পাশাপাশিএকটি আরামদায়ক, সাশ্রয়ী এবং সময়সাশ্রয়ী ভ্রমণের বিকল্প প্রদানের মাধ্যমে রোড পরিবহণের উপর নির্ভরতা হ্রাস করবে।
আরও পড়ুন– কড়া ঠান্ডা নেই শেষ জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে, রবি ও সোমবার ফের বাড়বে তাপমাত্রা
উত্তর পূর্ব সীমান্ত রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কপিঞ্জল কিশোর শর্মা জানিয়েছেন, প্রকল্পের বাকি অংশগুলোর কাজ বর্তমানে চলছে এবং উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ে ২০২৯-এর মধ্যে সম্পূর্ণ ডিমাপুর–কোহিমা (জুবজা) রেললাইনটি সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে, যা এই অঞ্চলের সংযোগস্থাপন এবং সামগ্রিক উন্নয়নে একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হবে৷
