বর্তমানে, এনএইচ-৭১৫-এর নুমালিগড় এবং এনএইচ-১৫-এর গোহপুরের মধ্যে সংযোগ সড়ক-সহ-৫২-এর শিলঘাটের কাছে বিদ্যমান কালিয়াভাম্ভোরা সড়ক সেতু থেকে ২৪০ কিলোমিটার দূরে, যা নুমালিগড়, কাজিরাঙ্গা জাতীয় উদ্যান এবং বিশ্বনাথ শহরের মধ্য দিয়ে যেতে ৬ ঘণ্টা সময় লাগে। এই চ্যালেঞ্জগুলি মোকাবেলা করার জন্য, প্রকল্পটি এনএইচ-১৫-এর গোহপুর থেকে ব্রহ্মপুত্র নদীর তলদেশে সড়ক-সহ-রেল টানেল সহ নুমালিগড় পর্যন্ত ৪-লেন অ্যাক্সেস-নিয়ন্ত্রিত গ্রিনফিল্ড সংযোগ হিসাবে বিকশিত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এটি হবে ভারতের প্রথম এবং বিশ্বের দ্বিতীয় জলতলের সড়ক তথা রেল টানেল।
advertisement
এই প্রকল্পটি অসম, অরুণাচল প্রদেশ, নাগাল্যান্ড এবং অন্যান্য উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলিকে উল্লেখযোগ্য সুবিধা প্রদান করবে।
প্রকল্পটি দুটি প্রধান জাতীয় মহাসড়ক (NH-15 এবং NH-715) এবং দুটি রেললাইনের সঙ্গে একীভূত হবে, যেমন গোহপুর পাশে NFR-এর রাঙ্গিয়া বিভাগের অধীনে রাঙ্গিয়া-মুকংসেলেক রেলওয়ে সেকশন এবং নুমালিগড় পাশে NFR-এর তিনসুকিয়া বিভাগের অধীনে ফুরকাটিং-মারিয়ানি লুপ লাইন সেকশন।
এই প্রকল্পটি অসম জুড়ে গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক, সামাজিক এবং লজিস্টিক নোডগুলিতে নিরবচ্ছিন্ন সংযোগ প্রদান করবে। অতিরিক্তভাবে, প্রকল্পটি ১১টি অর্থনৈতিক নোড, ৩টি সামাজিক নোড, ২টি পর্যটন নোড এবং ৮টি লজিস্টিক নোডের সাথে সংযোগ স্থাপন করে মাল্টি-মডেল ইন্টিগ্রেশন বৃদ্ধি করবে, ৪টি প্রধান রেলওয়ে স্টেশন, ২টি বিমানবন্দর এবং ২টি অভ্যন্তরীণ জলপথের সঙ্গে উন্নত সংযোগ প্রদান করবে যার ফলে অঞ্চলজুড়ে পণ্য এবং যাত্রীদের দ্রুত চলাচল সহজতর হবে। এই কৌশলগত প্রকল্প নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যেও আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
