এক্স প্ল্যাটফর্মে সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী সংস্থা যে সিসিটিভি ফুটেজটি প্রকাশ্যে এনেছে, তাতে দেখা যাচ্ছে, ওই সন্দেহভাজন বাস ধরছেন। এই ফুটেজের সঙ্গে এনআইএ লিখেছে, “রামেশ্বরম ক্যাফে বিস্ফোরণের ঘটনায় জড়িত সন্দেহভাজনকে শনাক্ত করার জন্য শহরবাসীর সাহায্য চাইছে এনআইএ। যদি কারও কাছে কোনও তথ্য থাকে, তাহলে কল করতে হবে 08029510900, 8904241100 এই নম্বরে। অথবা info.blr.nia@gov.in ঠিকানায় মেল করতে হবে। আপনাদের পরিচয় গোপন রাখা হবে।”
advertisement
সন্দেহভাজন উত্তর কর্নাটকের দিকে গিয়েছেন, এমন খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার এনআইএ আধিকারিকরা বল্লারি পৌঁছেছেন। সূত্রের খবর অনুযায়ী, সিসিটিভি ফুটেজে টুমাকুরু এবং বল্লারিতে দেখা গিয়েছে সন্দেহভাজনকে। প্রমাণ বলছে যে, বিস্ফোরণের পরে ওই সন্দেহভাজন বেঙ্গালুরু ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছেন। অন্ধ্রপ্রদেশের কুরনুল জেলার মন্ত্রালয়ের একটি বাস ধরেন তিনি।
আরও পড়ুন: ৯২ বছরে বাগদান সারলেন রুপার্ট মার্ডক! পঞ্চম বারের জন্য বিয়ের পিঁড়িতে বান্ধবী এলিনা জুকোভার সঙ্গে
৩৫০ কিলোমিটারের এই যাত্রাপথে সন্দেহভাজনকে কেউ লক্ষ্য করেছেন কি না, সেটাই খতিয়ে দেখছেন কর্তৃপক্ষ। ফলে সন্দেহভাজনকে ধরতে উত্তর কন্নড়-সহ ওইসব এলাকায় এনআইএ টিম নিয়োগ করা হয়েছে।
সিসিটিভি প্রমাণের ভিত্তিতে তদন্তকারীদের বিশ্বাস, বেসবল ক্যাপ পরা ওই সন্দেহভাজন ৫০০ডি রুটের বাসে চেপে রামেশ্বরম ক্যাফেতে পৌঁছেছিলেন। ওই ব্যক্তি সকাল ১১টা ৩৪ মিনিট নাগাদ ক্যাফেতে পৌঁছন এবং মাত্র ৯ মিনিটেই সেখান থেকে বেরিয়ে যান। ক্যাফের ভিতরে থাকাকালীন তাঁর মুখ ঢাকা ছিল। কিন্তু পাবলিক বাসের চিত্র থেকে বোঝা যাচ্ছে ওই ব্যক্তির মুখ। আসলে বাসে থাকাকালীন সন্দেহভাজনের মুখে মাস্ক, চোখে সানগ্লাস কিংবা মাথায় টুপি ছিল না।
প্রসঙ্গত, বেঙ্গালুরুর হোয়াইটফিল্ড এলাকায় থাকা জনপ্রিয় রামেশ্বরম ক্যাফেটিতে গত ১ মার্চ বিস্ফোরণ হয়। তাতে জখম হয়েছিলেন ৯ জন। নিউজ১৮-এর কাছে একটি সূত্র জানিয়েছে, ওই সন্দেহভাজনকে যে বেসবল ক্যাপ পরে থাকতে দেখা গিয়েছে, সেটি নিকটবর্তী একটি মসজিদের বাইরে থেকে উদ্ধার করেছে এনআইএ।
অন্য একটি সূত্র আবার জানিয়েছে যে, বেঙ্গালুরুর সন্দেহভাজন বিস্ফোরণের পরে নিজের পোশাক বদলেছিলেন। বুধবার এনআইএ ঘোষণা করেছে, সিসিটিভি ফুটেজে দৃশ্যমান ওই ব্যক্তি তথা সন্দেহভাজনের বিষয়ে তথ্য দিতে পারলে ১০ লক্ষ টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে।
গত সপ্তাহে ক্যাফেতে কম তীব্রতা সম্পন্ন ওই বিস্ফোরণটির পরে শুক্রবার ফের খুলেছে ওই ক্যাফেটি। তবে এবার নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। প্রবেশদ্বারেই বসানো হয়েছে মেটাল ডিটেক্টর। এমনকী ঢোকার আগে প্রত্যেক গ্রাহকের স্ক্রিনিং করা হচ্ছে। সন্দেহজনক কোনও কাজকর্ম হলে তা পর্যবেক্ষণের জন্য কঠোর নজরদারিও বসানো হয়েছে।
