পুলিশ সূত্রে খবর, ওই দম্পতির বাড়িতে বৈদ্যুতিক কিছু কাজের জন্য আসেন তিন মহিলা। কাজের সময় দম্পতির ঘরে ধুলো পড়ে। এরপরেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে পড়ে। তীব্র বাদানুবাদের মাঝেই হর্ষ সিং এবং রুবি জৈন বর্ণবিদ্বেষী মূলক এবং অশ্লীল মন্তব্য করেন। জানা গিয়েছে, তাঁদেরকে ‘মোমো’ বলা হয় এছাড়াও তাঁদের বলা তাঁরা যৌনকর্মী হিসাবে ম্যাসাজ পার্লার চালান। এই ঘটনার ভিডিও সামনে আসতেই তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিও-তে বলতে শোনা যায় রুবি জৈন বলছেন তাঁর স্বামী কাস্টমস অফিসার এবং রাজনীতিবিদ।
advertisement
ভিডিওতেই দেখা যায়, আদতে অরুণাচলের বাসিন্দা ওই তিন মহিলা প্রবলভাবে প্রতিবাদ জানাতে থাকেন। কিন্তু, পুলিশকর্মীর উপস্থিতিতেই ওই দম্পতি বর্ণবিদ্বেষীমূলক মন্তব্য করতে থাকেন। এই ভিডিও সামনে আসতেই প্রতিবাদে ফেটে পড়েন উত্তর-পূর্ব ভারতের বাসিন্দারা। ওই দম্পতির বিরুদ্ধে কড়া শাস্তির দাবি জানান অরুণাচলের মুখ্যমন্ত্রীও।
এরপরেই ওই দম্পতির বিরুদ্ধে উপযুক্ত পদক্ষেপের আশ্বাস দেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। এই প্রসঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়া এক্সে তিনি লেখেন, “এক ছোট বাদানুবাদ যেভাবে বর্ণবিদ্বেষীমূলক বিষয়ে মোড় নিয়েছে তা সত্যি লজ্জাজনক। আমি ইতিমধ্যেই অরুণাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী পেমাখান্ডুর সঙ্গে কথা বলেছি। এছাড়াও দিল্লি পুলিশ কমিশনারের সঙ্গেও কথা বলেছি। এফআইআর দায়ের হয়েছে। উত্তর-পূর্ব ভারতের ভাই-বোনেদের সঙ্গে কোনও ধরনের অবিচার বরদাস্ত করা হবে না। তাঁদের সুরক্ষা এবং মর্যাদাই সর্বাপেক্ষা এবং সর্বোচ্চ।”
