দেশের সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রুবি হল ক্লিনিকের চিফ কার্ডিওলজিস্ট-এবং-চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ট্রাস্টি ডা. পারভেজ গ্রান্ট জানিয়েছেন, “আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই।”
advertisement
প্রসঙ্গত, গত ৯ ফেব্রুয়ারি রুবি হাসপাতালেই বুকে কফ জমার সমস্যায় নিয়ে ভর্তি করা হয়েছিল শরদ পওয়ারকে৷ সেই সমস্যা মিটিয়ে ১৪ ফেব্রুয়ারি বাড়ি ফেরেন ৮৫ বছরের কংগ্রেস নেতা৷ ডা. গ্র্যান্ট জানান, বর্তমানে তাঁকে শিরায় তরল (আইভি ফ্লুইড) দেওয়া হচ্ছে এবং দু’দিনের মধ্যেই তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হবে। “আমরা তাঁকে পর্যবেক্ষণে রেখেছি,” বলেন তিনি। চিকিৎসকদের মতে, তাঁর শরীরে জলের ঘাটতি দেখা দিয়েছে।
বাবাকে দেখতে হাসপাতালে গিয়েছিলেন শরদ পওয়ারের কন্যা সুপ্রিয়া সূলে৷ কংগ্রেসের মুখপাত্র অঙ্কুশ কাকাড়ে জানিয়েছেন, বুকে কফ জমার চিকিৎসার অংশ হিসেবে অ্যান্টিবায়োটিক কোর্স সম্পূর্ণ করার পর পাওয়ারের কিছুটা দুর্বলতা দেখা দিয়েছে। সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানিয়েছেন, “খাবার গ্রহণ কমে গিয়েছিল এবং কথা বলতে সামান্য অসুবিধা হচ্ছিল। তবে আতঙ্কের কিছু নেই। নিয়মিত চেক-আপের জন্য তাঁকে রুবি হল ক্লিনিকে আনা হয়েছে এবং দু’দিনের মধ্যেই তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হবে।”
প্রসঙ্গত, এর আগে যখন প্রবীণ রাজনীতিবিদকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তখন শরদ পাওয়ারের পরিবারের পক্ষ থেকে জানান হয়, অত্যন্ত ব্যস্ত কর্মসূচি এবং শারীরিক ক্লান্তির কারণেই তাঁর শারীরিক সমস্যা দেখা দিয়েছিল।
