গভীর শোক প্রকাশ করে মোদির পোস্ট, “প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শ্রী মুকুল রায় জি’র প্রয়াণে আমি শোকাহত। তাঁর রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও সমাজসেবামূলক প্রচেষ্টা স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর পরিবার ও সমর্থকদের প্রতি সমবেদনা জানাই। ওঁ শান্তি।”
মুকুল রায়ের প্রয়াণে এক্স হ্যান্ডেলে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা শুভেন্দু অধিকারী থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর পোস্টে শুভেন্দু লিখেছেন, “প্রবীণ রাজনীতিবিদ মুকুল রায়ের প্রয়াণে গভীর ভাবে শোকাহত। তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করি। স্বর্গীয় মুকুল রায়ের পরিবারের প্রতি আমার আন্তরিক সমবেদনা জানাই।”
এক্স হ্যান্ডেলে তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় লিখলেন, ‘বঙ্গ রাজনীতিতে একটা যুগের অবসান’। তৃণমূলের জন্মসঙ্গীর মৃত্যুতে তাঁর পরিবার ও পরিজনকে সমবেদনা জানালেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। জানা গিয়েছে, মুকুলপুত্রকে ফোনও করেছেন তিনি।
২০১৭ সালের ৩ নভেম্বর। আনুষ্ঠানিক ভাবে বিজেপি-তে যোগ দেন মুকুল রায়। ২০১৮ সালের পঞ্চায়েত ও ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে গেরুয়া শিবিরের হয়ে মুকুল বড় ভূমিকা নিলেও তাঁকে কোনও পদ দেয়নি বিজেপি। বিজেপি-তে যোগ দেওয়ার প্রায় ৩ বছর পরে ২০২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর তাঁকে সর্বভারতীয় সহ-সভাপতির পদ দেওয়া হয়। ২০২০ সালের ১৯ ডিসেম্বর শুভেন্দু অধিকারী বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই কিছুটা পিছনের সারিতে চলে যান মুকুল।
ভোটপর্ব মিটে যাওয়ার পরে করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন মুকুল। সঙ্গে স্ত্রী কৃষ্ণাও। ২ জুন কৃষ্ণা রায়কে দেখতে হাসপাতালে যান তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধরণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শুরু হয় মুকুল-জায়ার অসুস্থতা নিয়ে রাজনীতি। অভিষেক হাসপাতালে যাওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কৃষ্ণা রায়কে দেখতে যান দিলীপ ঘোষ। পর দিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ফোন পান মুকুল রায়। ১১ জুন, ২০২১। তপসিয়া তৃণমূল ভবনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে ফিরে আসেন তাঁর পুরানো দলে।
