এই তালিকায় রয়েছে ব্যথানাশক, অ্যান্টিবায়োটিক, জ্বরের ওষুধ, হৃদরোগ, ডায়াবেটিস এবং সংক্রমণ প্রতিরোধক ওষুধ। ফলে সাধারণ মানুষের ওষুধের খরচ সামান্য হলেও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
২৫ মার্চ ২০২৬-এ জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে NPPA জানিয়েছে, বাণিজ্য মন্ত্রকের অর্থনৈতিক উপদেষ্টা দফতরের তথ্য অনুযায়ী ২০২৫ সালে WPI-তে ০.৬৪৯৫৬ শতাংশ বৃদ্ধি হয়েছে। সেই হিসেবেই ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলি তাদের সর্বোচ্চ খুচরো মূল্য (MRP) বাড়ানোর অনুমতি পাবে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এই মূল্যবৃদ্ধি GST ছাড়া মূল দামের উপর প্রযোজ্য। অর্থাৎ, ওষুধের বেস প্রাইসে প্রায় ০.৬৫ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি হবে।
advertisement
সরকারের দাবি, এই বৃদ্ধি খুবই সামান্য, তাই সাধারণ মানুষের উপর এর প্রভাব খুব বেশি পড়বে না। তবে ক্রেতাদের ওষুধ কেনার সময় MRP ভালো করে যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে এবং নির্ধারিত সিলিং প্রাইসের বেশি না দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, প্রতি বছরই WPI-এর ভিত্তিতে NPPA এ ধরনের সীমিত মূল্যবৃদ্ধির অনুমতি দেয়। আগের বছরগুলিতেও ছোট পরিসরে এমন বৃদ্ধি দেখা গিয়েছে। এবারের ০.৬৪৯৫৬ শতাংশ বৃদ্ধির অনুমোদনের পর সংস্থাগুলি তাদের ওষুধের দাম সংশোধন করতে পারবে।
