“আমরা মন্তব্যটি দেখেছি। ভারত ও আমেরিকা ১৩ ফেব্রুয়ারি গত বছর থেকেই একটি দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিল। তারপর থেকে উভয় পক্ষ একাধিক দফায় আলোচনা করেছে, যাতে একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও পারস্পরিক লাভজনক বাণিজ্য চুক্তিতে পৌঁছানো যায়”, জানাল বিদেশ মন্ত্রক৷
advertisement
বিদেশ মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানান হয়, “বহুবার আমরা (ভারত) চুক্তির খুব কাছাকাছি পৌঁছেছিলাম। ওই আলোচনায় দু‘দেশের বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে যে ছবি তুলে ধরা হয়েছে তা সঠিক নয়৷’’ আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্যে এখনও আগ্রহী ভারত, এদিন স্পষ্ট বার্তা নয়াদিল্লির৷ ‘‘পরিপূরক অর্থনীতির মধ্যে একটি পারস্পরিক লাভজনক বাণিজ্য চুক্তিতে আগ্রহী এবং তা দ্রুত সম্পন্ন করাই লক্ষ আমাদের,’’ জানাল নয়াদিল্লি৷
সর্বোচ্চ স্তরে রাজনৈতিক যোগাযোগের অভাবের অভিযোগও খারিজ করেছে পররাষ্ট্রমন্ত্রক৷ “২০২৫ সালে প্রধানমন্ত্রী ও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মধ্যে আটবার ফোনে কথা হয়েছে, যেখানে আমাদের বিস্তৃত পার্টনারশিপের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়েছে”, দুই দেশের বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে জানাল পররাষ্ট্রমন্ত্রক৷
আরও পড়ুন: ‘ট্রাম্পকে ফোন করেননি মোদি, তাই আটকে বাণিজ্য চুক্তি!’ মার্কিন বাণিজ্য সচিবের বিস্ফোরক দাবি
প্রসঙ্গত, আমেরিকার বাণিজ্যসচিব হাওয়ার্ড লুটনিক একটি পডকাস্টে দাবি করেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ফোন করেননি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে৷ সেকারণেই নাকি আটকে গিয়েছে ভারত-আমেরিকা বাণিজ্যচুক্তি৷ এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই শুরু হয় তীব্র বিতর্ক৷
‘‘আমি চুক্তিগুলি নিয়ে আলোচনা করব এবং পুরো চুক্তিটি ঠিক করব। তবে আসল কথা হল এটা উনার চুক্তি৷ উনিই শেষ করবেন৷ উনিই ডিল করেন৷ মোদিকে ফোন করতে হবে৷ মোদিকে প্রেসিডেন্টকে ফোন করতে হবে৷ ওঁরা অস্বস্তি বোধ করছেন৷ তাই মোদী ফোন করেননি’’, ওই পডকাস্টে এমনই মন্তব্য করলেন লুটনিক৷ তাঁর মন্তব্য নিয়ে এই প্রথম প্রতিক্রিয়া জানাল ভারত৷
