আরকির কংগ্রেস বিধায়ক সঞ্জয় অবস্থি জানিয়েছেন, রাত আড়াইটে নাগাদ আগুন লাগে। এখন পর্যন্ত একজন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। ১৫টি বাড়ি পুড়ে ছাই। পুলিশ সুপার গৌরব সিং জানিয়েছেন, আগুন লাগার পর ইউকো ব্যাংকের একটি শাখা থেকে ছেলের দগ্ধ দেহ উদ্ধার হয়। সূত্রের খবর, বাজারের একটি বাড়িতে একটি নেপালি পরিবার থাকত। এদিন সম্ভবত তারাই রাতে ঘরে আগুন জ্বালিয়ে ঘুমিয়েছিল এবং এখান থেকেই আগুনের সূত্রপাত। তবে তদন্তের পরেই সঠিক কারণ জানা যাবে।
advertisement
আরও পড়ুনঃ ফলের রস বা ফ্রুট জ্যুস নাকি গোটা ফল? কোনটি বেশি স্বাস্থ্যকর? জানিয়ে দিলেন বিশেষজ্ঞ
আগুন যাতে ছড়িয়ে না পড়ে তার জন্য চেষ্টা চলছে। উদ্ধারকাজের জন্য জাতীয় দুর্যোগ প্রতিক্রিয়া বাহিনী (এনডিআরএফ) এবং রাজ্য দুর্যোগ প্রতিক্রিয়া বাহিনীকেও (এসডিআরএফ) ডাকা হয়েছে। তবে আগুন লাগার কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান অব্যাহত ছিল।
হিমাচলে অগ্নিকাণ্ড
জানা গিয়েছে, গতকাল রবিবার রাতে আরকির নিম্ন প্রধান বাজারে আগুন লেগে যায়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করে, একের পর এক বেশ কয়েকটি দোকান পুড়ে যায়। আগুন লাগার সময় বেশ কয়েকটি সিলিন্ডারও বিস্ফোরণের সব্দ মিলেছে, যার ফলে বাজারে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দারা তাৎক্ষণিকভাবে প্রশাসন এবং দমকল বিভাগকে খবর দেন। ঘটনাস্থলে দমকল বাহিনীর বেশ কয়েকটি গাড়ি পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা শুরু করে, কিন্তু ক্রমাগত বিস্ফোরণের ফলে দমকলকর্মীদের জন্য যথেষ্ট অসুবিধার সৃষ্টি হয়। এই বিশাল অগ্নিকাণ্ডে কোটি কোটি টাকার সম্পত্তির ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
