৪০ বছর বয়সী এক যুবক তার বিয়ে না হওয়ার কথা জানালে, তার বন্ধু তাকে বিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। কিছুদিন পর, তার বন্ধু তাকে একটি মেয়ের ছবি পাঠায় এবং মেরঠের ওই যুবক মেয়েটিকে পছন্দ করে। পরে, ওই বন্ধু যুবককে কুশিনগর নিয়ে গিয়ে মন্দিরে তাদের বিয়ে সম্পন্ন করেন। তবে বিয়ের কিছুক্ষণের মধ্যে নববধূ আচমকা পালিয়ে যায়।
advertisement
আরও পড়ুন: ‘গনধর্ষণ কাণ্ডে গ্রেফতার ছেলে’, প্রতারকদের ফাঁদে পা দিতেই শেষ মহিলার ৭৫ হাজার টাকা!
মেয়েটি এক লাখ টাকা নগদ, গয়না এবং পোশাক নিয়ে পালিয়ে যায়। ঘটনার পর, বর থানায় গিয়ে অভিযোগ করেন। মেরঠের বাসিন্দা বিরেন্দ্র, যাঁর বিয়ে হচ্ছিল না, সে সময় তার বন্ধু সন্দীপকে তার সমস্যার কথা জানিয়েছিলেন। এরপর সন্দীপ বিরেন্দ্রের জন্য একটি মেয়ে খুঁজে দেন। বিরেন্দ্র যখন মেয়েটি পছন্দ করেন, তখন সন্দীপ ওই মেয়েকে শহরে নিয়ে আসেন।
আরও পড়ুন: স্ত্রী ও তিন সন্তানকে বিষ খাইয়ে খুন ব্যক্তির, নিজে শুয়ে পড়েন ট্রেনের ট্র্যাকে, তারপর…
দুর্গা মন্দিরে বিরেন্দ্র হিন্দু রীতি-রেওয়াজে সাত পাকে বাঁধা পড়েন। বিয়ের পর, নববধূ টয়লেটে যাওয়ার জন্য বের হয়। এরপর একে একে সবাই সেখান থেকে বের হয়ে যায় এবং পালিয়ে যায়। বউও পালায় বিয়ের ওই মঞ্চ থেকে।
বিরেন্দ্র যখন পুরো ঘটনা জানতে পারেন, তখন তিনি থানায় গিয়ে অভিযোগ করেন। বর্তমানে পুলিশ টাকা, গয়না এবং পোশাক নিয়ে পালিয়ে যাওয়া নববধূর খোঁজে আছেন। পাশাপাশি, বিরেন্দ্রর ওই বন্ধুর খোঁজও চলছে, যিনি পুরো ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন। পুলিশ জানিয়েছে, এটি সম্ভবত একটি গ্যাংয়ের কাজ হতে পারে এবং তারা খুব শীঘ্রই পুরো ঘটনা উদঘাটন করে ফেলবে।
