মুখ্যমন্ত্রীর আইনজীবী বলেন, আর ১১ দিন বাকি রয়েছে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশে। নোটিসের শুনানির ৪ দিন বাকি রয়েছে মাত্র। ২০% ইলেকটোরেটকে নোটিস দিতে হবে। ৮৮ লাখ হিয়ারিং হয়েছে এখনও। ৬৩ লাখ হিয়ারিং এখনও হওয়া বাকি। ১৫.৫ লাখ প্রতিদিনের হিসেবে শুনানি করতে হবে।
এখানেই শেষ নয়, আইনজীবীর আরও অভিযোগ, ৮৩০০ মাইক্রো অবজারভারদের নিয়োগ করা হয়েছে বেআইনি ভাবে। অনুমোদিত নথির মধ্যে ডোমিসাইল সার্টিফিকেট, আধার, পঞ্চায়েতের দেওয়া নথি, বংশানুক্রমিক নথি গ্রহণ করা হচ্ছে না নথি হিসেবে। ১.৩৬ কোটিকে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির তালিকা দিয়েছে কমিশন। আমাদের আবেদন ছিল লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির কারণ উল্লেখ করা হোক কমিশনের ওয়েবসাইটে।
advertisement
এরপরই বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, এটা ওয়েবসাইটে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু নোটিসে তো কারণ দেওয়া হচ্ছে। আইনজীবী শ্যাম দিওয়ান বলেন, হ্যাঁ কিন্তু সেই গতি খুবই স্লথ। কমিশনের আইনজীবী দ্বিবেদী বলেন, ”সব নেটিসে কারণ দেওয়া হচ্ছে।” এরপরই আইনজীবী শ্যাম দিওয়ান বলেন, ওয়েবসাইটে দেওয়া হোক আমাদের আবেদন। তাতে ভোটারদের সুবিধা হবে। বিচারপতি সূর্যকান্ত বলেন, ”এখানে তো নথি দেওয়া রয়েছে। বাবার নামের সঙ্গে নাম মিলছে না ভোটারের।” আইনজীবী বলেন, ”নাম মিসম্যাচের ক্ষেত্রগুলি প্রত্যাহাক করা হোক। আমাদের এটাই আবেদন।” এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখনও সওয়াল করেননি। তাঁর হয়ে শ্যাম দিওয়ান সওয়াল করছেন।
