মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের এসআইআর আবহ তুলে ধরে বলেন, “সুপার ইমার্জেন্সি চলছে বাংলায়, ৬ মাস থেকে কাজ করতে পারছে না প্রশাসন”। এসআইআরের কাজের জন্য বিপুল পরিমাণ সরকারি কর্মচারী, শিক্ষক এবং আধিকারিকদের দায়িত্ব দিয়েছে প্রশাসন। এর প্রভাব পড়ছে প্রশাসনিক কাজেও, মাধ্যমিকের আগেও শিক্ষক সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এবার মুখ্যমন্ত্রী প্রশাসনিক কাজ নিয়েও বার্তা দিলেন কমিশনকে।
advertisement
দিল্লিতে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমরা চাইলে এই মানুষদের নিয়ে রাজপথে নেমে প্রতিবাদ করতাম। কিন্তু আমরা আইন মানি। গত কাল একটা ছোট্ট বাচ্চাকে বাইরে থেকে দুধটুকু আনতে দেয়নি। আমি তাই ছুটে এসেছিলাম।”
সোমবার দেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠক করার কথা ছিল মুখ্যমন্ত্রীর। তবে সেই বৈঠক সম্পূর্ণ হওয়ার আগেই বেরিয়ে যান ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী। এর আগে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী একাধিক চিঠি লিখেছিলেন এসআইআর নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে, তারপরেই তিনি সরাসরি মামলা করেন সুপ্রিম কোর্টে।
আরও পড়ুন: পাকিস্তান কি সত্যিই টি২০ বিশ্বকাপের একটি ম্যাচ বয়কট করতে পারে! কী বলছে আইসিসির নিয়ম?
বুধবার সুপ্রিম কোর্টে এসআইআর শুনানিতে আদালতে হাজির থাকতে পারেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সুপ্রিম কোর্টে এসআইআর নিয়ে একাধিক মামলা হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও এসআইআরে সাধারণ ভোটারদের সমস্যা নিয়ে আদালতে হাজির হয়েছেন একাধিক তৃণমূল সাংসদ।
