বুধবার লোকসভায় প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য দেওয়ার কথা থাকলেও, বিজেপি সাংসদ পি পি চৌধুরী বক্তব্য রাখার সময় বিরোধীদের বিক্ষোভে অধিবেশন স্থগিত হয়ে যায়। সরকারি সূত্রের দাবি, রাষ্ট্রপতির ভাষণ নিয়ে আলোচনার সময় গত দু’দিন ধরেই বিরোধীরা সভার কাজ ব্যাহত করেছে। তবে এই অচলাবস্থার মধ্যেও প্রধানমন্ত্রীর জবাবের সময়সূচি বদলানো হয়নি বলে জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ হাওড়া ব্রিজে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে যুবকের দেহ! হাড়হিম দৃশ্য, পুলিশ সূত্রেও উঠে এল ভয়াবহ তথ্য
advertisement
মঙ্গলবার সভা মুলতবি হওয়ার পর স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠকে বসেন রাজনাথ সিং, কিরেন রিজিজু, প্রহ্লাদ যোশী, ধর্মেন্দ্র প্রধান ও অর্জুন মেঘওয়ালের মতো শীর্ষ মন্ত্রীরা। উদ্দেশ্য ছিল, নির্ধারিত সময়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য নিশ্চিত করা।
মঙ্গলবার সরকার ও বিরোধীদের সংঘাত আরও তীব্র হয়, যখন কংগ্রেসের ৭ জন ও সিপিআই(এম)-এর ১ জন সাংসদকে বাজেট অধিবেশনের বাকি সময়ের জন্য সাসপেন্ড করা হয়। অভিযোগ, তাঁরা ‘অশোভন আচরণ’ করেছেন। এই সিদ্ধান্ত আসে বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধিকে টানা দ্বিতীয় দিন রাষ্ট্রপতির ভাষণ নিয়ে আলোচনায় বক্তব্য রাখতে না দেওয়ার পর। রাহুল গান্ধী পরে স্পিকারকে চিঠি লিখে প্রতিবাদ জানিয়ে একে “গণতন্ত্রের কলঙ্ক” বলে আখ্যা দেন।
কংগ্রেস সাংসদ মানিকম টেগোর একে গণতন্ত্রের উপর আঘাত বলে মন্তব্য করেন। শেষ পর্যন্ত প্রবল বিক্ষোভের মধ্যেই বুধবারের অধিবেশন মুলতবি হয়, এবং উত্তপ্ত রাজনৈতিক আবহে প্রধানমন্ত্রীর জবাব একদিন পিছিয়ে যায়।
