সংবাদসংস্থা এএনআই-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মন্ত্রী বিজয়বর্গীয় বলেন, ‘‘আমরা সমস্ত অসুস্থ ব্যক্তিদের যথোপযুক্ত চিকিৎসার বন্দোবস্ত করছি৷ আমরা ৫টি অ্যাম্বুল্যান্স এই জন্য বরাদ্দ রেখেছি৷ গতকালের তুলনায় অসুস্থ ব্যক্তিদের সংখ্যা কমেছে৷ গত রাত থেকে ৬০ জন ব্যক্তি সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে এসেছেন, অর্ধেকই প্রাথমিক চিকিৎসার পরে বাড়ি যেতে পেরেছেন৷’’
advertisement
বিজয়বর্গীয় জানান, ‘‘যাঁদের অবস্থা গুরুতর ছিল তাঁদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে৷ আমরা অরবিন্দ হাসপাতালে ১০০টি বেড, এমওয়াই হাসপতালে ১০০ বেডের একটা গোটা ওয়ার্ড অসুস্থদের চিকিৎসার জন্য রেখেছি৷ কিছু বাচ্চাকে চাচা নেহরু হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে৷’’
তিনি জানান, ‘‘যে অংশে এই ঘটনা ঘটেছে সেখানে অর্থনৈতিক দিক থেকে পিছিয়ে পড়া মানুষের বাস, তাই তাঁদের চিকিৎসার সব খরচ সরকারই বহন করবে৷ আমি এখানে আছি, এবং যতদিন না আরও কোনও অসুস্থ ব্যক্তি আসা বন্ধ হচ্ছে, আমরা ভাগীরথপুরাতেই থাকব৷’’
মন্ত্রী জানান, যেখানে থেকে পানীয় জলে দূষণ ছড়িয়েছিল, তা চিহ্নিত করা গিয়েছে এবং সারানো হয়েছে৷ এক-দু’দিনের মধ্যেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে৷ নাগরিকদের ফুটিয়ে জল পান করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷
সংবাদ সংস্থা পিটিআই অনুসারে, মেয়র পুষ্যমিত্র ভার্গব এখন পর্যন্ত সাতজনের মৃত্যুর বিষয় নিশ্চিত করেছেন, ভাগীরথপুরায় অসুস্থ ১,১০০ জনেরও বেশি৷ ১১১ জন হাসপাতালে ভর্তি।
বিজয়বর্গীয় স্বীকার করেছেন যে আধিকারিকদের ভুলেঅ এই ঘটনা ঘটেছে এবং কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘‘আমার মনে হয়, একটা ভুল হয়েছে, তবে এখনই এই বিষয়ে আলোচনা করার চেয়ে প্রথমে সমস্ত রোগীর সুস্থতা নিশ্চিত করা উচিত। দূষিত পানীয় জলের ঘটনার জন্য দায়ীদের কাউকেই রেহাই দেওয়া হবে না৷’’
পুর কর্পোরেশনের কমিশনার দিলীপ কুমার যাদব বলেন, মূল জল সরবরাহ পাইপলাইনে ফুটো হয়ে গিয়েছিল কোনওভাবে৷ আর তার ঠিক উপরেই একটি শৌচালয় ছিল৷ সেখান থেকেই দষণ ছড়িয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদবের নির্দেশে, একজন জোনাল অফিসার এবং একজন সহকারীকে বরখাস্ত করা হয়েছে৷ বরখাস্ত করা হয়েছে একজন ইনচার্জ সাব-ইঞ্জিনিয়ারকেও৷
ঘটনাটি তদন্তের জন্য একজন আইএএস অফিসারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
