বুধবার সংসদে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে ইরান-ইজরায়েল-আমেরিকা সংঘাতের কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক ও কৌশলগত প্রভাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বৈঠকে বিরোধী নেতারা অভিযোগ তোলেন, ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যোগাযোগে পাকিস্তানকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: আমেরিকার-ইরানের মাঝে মধ্যস্থতাকারী হয়েছে পাকিস্তান! ভারত কেন নয়? আসল কারণ জানুন
advertisement
এর জবাবে জয়শঙ্কর পরিষ্কার করে দেন, ভারত এই ধরনের মধ্যস্থতাকারী ভূমিকায় বিশ্বাসী নয় এবং নিজেদের কূটনীতিকে কোনওভাবেই লেনদেনভিত্তিক ‘ব্রোকারেজ’-এ পরিণত করবে না। সূত্রের খবর, জয়শঙ্কর আরও উল্লেখ করেন যে, এই ধরনের ভূমিকায় পাকিস্তানের অংশগ্রহণ নতুন নয়। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ১৯৮১ সাল থেকেই ইসলামাবাদ এই অঞ্চলে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করে আসছে।
প্রসঙ্গত, আমেরিকা এবং ইরানের মধ্যে ‘দূত’ পাকিস্তান৷ যুদ্ধে রত দুই দেশ এখনও মুখোমুখি বসেনি৷ তবে তৃতীয় পক্ষ হয়ে পাকিস্তানের মাধ্যমেই বার্তা চালাচালি হচ্ছে৷ আগামী দিনে পাকিস্তানের মাটিতে দু’দেশকে মুখোমুখিও বসাতে চাইছেন পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ় শরিফ। তাতে সায় রয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের৷ ইসলামাবাদের এই মধ্যমণি হয়ে ওঠার পরেই নরেন্দ্র মোদির সরকারকে তীব্র আক্রমণ করেছে বিরোধীরা৷
বিরোধী শিবিরের অভিযোগ, বিশ্বমঞ্চে কূটনৈতিক পরিসর ক্রমশ হারাচ্ছে ভারত৷ বিরোধীদের মতে, একসময় আঞ্চলিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ কণ্ঠস্বর হিসেবে বিবেচিত ভারত এখন “সাইডলাইনে” চলে গিয়েছে৷ বিরোধীদের দাবি, এর জন্য দায়ী বর্তমান কেন্দ্রে আসীন সরকারের “কৌশলগত নীরবতা” এবং বাড়তে থাকা “কূটনৈতিক অদৃশ্যতা”৷
