এদিন রাষ্ট্রপতির বক্তব্যের প্রেক্ষিতে ধন্যবাদ জ্ঞাপন বিষয়ক বক্তৃতা করতে গিয়ে রাহুল গান্ধি লোকসভায় প্রাক্তন সেনাপ্রধান এমএম নারাভানের অপ্রকাশিত বই ‘ফোর স্টারস অফ ডেসটিনি’র লাইন উদ্ধৃত করেন৷ প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং তাঁকে বাধা দিয়ে জানান, অপ্রকাশিত কোনও বই থেকে আইনসভায় উদ্ধৃতি দেওয়া যায় না৷
advertisement
যদিও বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধি পাল্টা দাবি করেন, এই উদ্ধৃতি সত্যতা তিনি যাচাই করেছেন, এটি একটি পত্রিকার প্রতিবেদনের অংশ থেকে উদ্ধৃত৷ জানা গিয়েছে, এই বইটি এখনও অপ্রকাশিত এবং কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা দফতরে বইটির রিভিউ প্রক্রিয়া চলছে৷
তবে, বইটির একটি অংশ সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়া ‘X’-এ প্রকাশ করেছে The Caravan magazine নামের একটি পত্রিকা৷ সেখানে, গালওয়ানে ভারত-চিন সেনা সংঘর্ষ নিয়ে কিছু বিষয়ের উল্লেখ রয়েছে৷
২০২০ সালে পূর্ব লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় ভারত-চিন সেনা সংঘর্ষে ২০জন সেনার মৃত্যু হয়৷ মারা যান চিনের সেনাও৷ ১৯৬৭ সালের পরে এটিই ছিল ভারত-চিন সম্মুখ সমরের নিদর্শন৷
সেখানে লাদাখের পরিবেশ আন্দোলনকারী সোনম ওয়াংচুকের স্ত্রীকে দাবি করতে দেখা গিয়েছে, ‘‘চিন যে শুধু আমাদের জমি দখল করছে তা-ই নয়, বরং প্রত্যেক বছর আরও ভিতরে ঢুকে আসছে৷’’
The Caravan magazine-এর প্রতিবেদনে পাণ্ডুলিপিটিকে ‘ফোর স্টারস অফ ডেসটিনি’ শিরোনামের একটি “এখনও অপ্রকাশিত স্মৃতিকথা” হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং লাদাখ সঙ্কটের সময় উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির কথা বর্ণনা করা হয়েছে৷ যদিও সূত্রের দাবি, একাধিক সাক্ষাৎকারে প্রাক্তন সেনাপ্রধান এমএম নারাভানকে বলতে শোনা গিয়েছে, ‘‘ভারত বিশ্বকে দেখিয়েছে চিনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো সম্ভব ’’, কিংবা ‘‘আমরা কোনও ভূখণ্ডে হারাইনি, আমরা যেখানে ছিলাম সেখানেই আছি… কিন্তু এই চুক্তির ফলে, পারস্পরিক নিরাপত্তার নীতিতে এই জায়গায় পৌঁছেছে। উভয় দেশের স্বার্থে একটি স্থিতিশীল LAC থাকা এবং কোনও সংঘর্ষের সম্ভাবনা কম থাকা উচিত। এটাই দৃষ্টিভঙ্গি হওয়া উচিত… এক ইঞ্চিও জমি হারানো হয়নি৷’’
